এই রমজানে ত্বকের বিশেষ যত্ন!



রমজান মাস। তার উপর প্রচন্ড গ্রীষ্মের তাপ। সারাদিন রোজা রেখে ত্বক কিছুটা নিস্তেজ হয়ে পড়ে। সারাদিন পানির অভাবে ত্বকের আদ্রতা কমে যায়। তার উপর রোজা রেখে সারাদিন অক্লান্ত পরিশ্রম ত্বকের ওপর প্রভাব ফেলে।

একটুখানি যত্ন আর সতর্কতা আমাদের ত্বক ভালো রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া রোজার পরেই ঈদ। কে না চায় ঈদের দিনটি সবাই সতেজ ও লাবণ্যময় থাকতে!

তাই এ সময় রোজা রাখার পাশাপাশি প্রয়োজন পড়ে ত্বকের বিশেষ যত্ন নেয়ার। রমজানে ত্বকের যত্নে যা করা প্রয়োজন-

ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচতে:
ত্বককে ডিহাইড্রেশন থেকে বাঁচাতে ইফতার এবং সেহরির মাঝে অন্তত ৮ গ্লাস পানি খাওয়ার অভ্যাস করুন। শুধু পানি খেতে ভালো না লাগলে ফলের রস খেতে পারেন।

খেয়াল রাখতে হবে অতিরিক্ত চিনিযুক্ত ড্রিংক যেন না খাওয়া হয় কারণ চিনিজাতীয় খাবার কোলাজেন নষ্ট করে ত্বকে বার্ধক্যের ছাপ ফেলতে পারে।

এছাড়া পানি শূন্যতার কারণে এ সময় ত্বকের আদ্রতা কমে গিয়ে ত্বক প্রাণহীন ও শুষ্ক হয়ে পড়ে। ময়েশ্চারাইজিং ক্রিম বা লোশন ব্যবহারের মাধ্যমে ত্বকের এই শুষ্কতা দূর করতে পারেন।

তৈলাক্ততা দূর করতে:
যাদের ত্বক সাধারণ বা তৈলাক্ত তারা ওয়াটার বেইজড ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন। আর যাদের ত্বক শুষ্ক তারা ওয়াক্স বা ইমোলিয়েন্ট সমৃদ্ধ ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করবেন।

এসব ত্বকের গভীরে আদ্রতা জুগিয়ে ত্বক ফেটে যাওয়ার হাত থেকে রক্ষা করবে। রমজান মাসে সব রকমের টোনার জাতীয় প্রসাধন এড়িয়ে চলা উচিত। এই ধরনের প্রসাধনী বেশি ব্যবহারে ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে যায়।

ঠোঁটের যত্নে:
রোজার এই সময়টাতে ঠোঁট অনেক বেশি ফেটে যায়। রাতে ঘুমাবার আগে ঠোঁটে ভালো করে ভ্যাসলিন বা পেট্রোলিয়াম জেলি দিয়ে ঘুমাতে যাবেন। বেশি শুষ্ক ঠোঁটের যত্নে হালকা গরম নারিকেল তেল ম্যাসাজ করে লাগান।

একটুখানি সচেতনতা বাড়িয়ে দিবে ত্বকের উজ্জ্বলতা। ত্বকের সৌন্দর্য ফুটিয়ে তুলতে রমজানেই নিয়ে নিন বিশেষ প্রস্তুতি। আর ঈদের দিনটিতে থাকুন প্রাণবন্ত।