হ্যাকিংয়ের কবলে হোয়াটসআ্যাপ; নিরাপদে থাকবেন যেভাবে



বর্তমান যুগে যোগাযোগের ক্ষেত্রে আমরা অনেক ক্ষেত্রেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উপর নির্ভরশীল। তবে এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমও এখন হ্যাকারদের প্রভাব লক্ষণীয়। ফলে তৈরি হয়েছে তথ্য বেহাতের আশঙ্কা।

হ্যাকাররা গ্রাহকদের মোবাইল ফোনে ডিজিটাল ডিভাইসে এক ইসরায়েলি কোম্পানির তৈরি এমন একটি স্পাইওয়্যার ঢুকিয়ে দিচ্ছে যাতে করে দূর থেকে কারো মোবাইল কল বা টেক্সট বার্তার ওপর সহজেই নজরদারি করা যায়।

ইতিমধ্যে হোয়াটসআ্যাপ তাদের প্রায় ১৫০ কোটি গ্রাহককে দ্রুত তাদের আ্যাপটি আপডেট করার পরামর্শ দিয়েছে।

তবে এ ব্যাপারে আরও কিছু তথ্যের কথা বলা হয়েছে যাতে করে নিরাপদ থাকতে পারে এই অ্যাপটি।

গোপনীয়তা বজায় রাখতে চাইলে আপনি ব্যাকআপ ডিজএ্যাবল অর্থাৎ অকার্যকর করে দিতে পারেন। আপনার সেটিং-এ গিয়ে চ্যাট ব্যাকআপ অপশন থেকে আপনি এটা করতে পারেন।

যে কোন তথ্য নিরাপদ এবং অন্যের কবল থেকে বাইরে রাখার জন্য মোবাইল বা ডিজিটাল ডিভাইসে টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন একটা ভালো উপায়।

হোয়াটসঅ্যাপ সহ অনেক অ্যাপেরই নানা রকম নিরাপত্তা ও গোপনীয়তা রক্ষার ব্যবস্থা আছে। আপনি যদি সেটিং>অ্যাকাউন্ট>প্রাইভেসিতে যান তাহলে আপনি সবই দেখতে পাবেন। সেখান থেকে আপনি নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন আপনার প্রোফাইল ফটো, বা আপনি কোথায় ছিলেন বা আছেন তা কে কে দেখতে পারবেন। এবং

এছাড়াও, আপনি যে ‘read receipt’ কারো পাঠানো বার্তাটি যে আপনি পড়েছেন তার প্রমাণস্বরূপ সেই টিক চিহ্নটা সুইচ অফ করে দিতে পারেন।