নোবেল শান্তি পুরষ্কার পেল আইসিএএন




এ বছরের নোবেল শান্তি পুরস্কার জিতেছে ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু অ্যাবোলিশ নিউক্লিয়ার উইপন (আইসিএএন)। পরমাণু অস্ত্রের বিরুদ্ধে কর্মসূচী ও জনমত তৈরি করে নোবেল জিতে নিয়েছে তারা।

আজ শুক্রবার নরওয়ের স্থানীয় সময় সকাল ১১ টায় এ পুরস্কার ঘোষণা করে নোবেল কমিটি।
একটি তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করা বিভিন্ন বেসরকারি গোষ্ঠীর একটি জোট হিসেবে নিজেদের পরিচিতি দেয় দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু অ্যাবোলিশ নিউক্লিয়ার ওয়েপনস (আইসিএএন)। শতাধিক দেশে এই গোষ্ঠী কাজ করছে। সংস্থাটি অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম কাজ শুরু করেছিল। ২০০৭ সালে এটি ভিয়েনায় কাজ শুরু করে।
শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়ার অনুষ্ঠানে নরওয়েজীয় নোবেল কমিটি বলেছে, বর্তমান বিশ্বে পারমাণবিক সংঘাতের ঝুঁকি বেড়ে গেছে। কমিটির নেতা বেরিট -রিজ-অ্যান্ডারসন বলেন, ‘আমরা এমন একটি বিশ্বে বাস করি, যেখানে পারমাণবিক অস্ত্রের ঝুঁকি আগের চেয়ে অনেক বেশি।’
পুরস্কার বাবদ একটি সোনার মেডেল ও ৮০ লাখ সুইডিশ ক্রোনার (১২ লাখ ৫০ হাজার ডলার) পাবে আইসিএএন। আগামী ১০ ডিসেম্বর অসলোতে আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কার দেওয়া হবে।
এ বছর নোবেল শান্তি পুরস্কারের জন্য ৩১৮ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। মনোনীতদের মধ্য থেকে কয়েকজন ব্যক্তি ও দুটি সংস্থা এবারের শান্তিতে নোবেল পুরস্কার পাওয়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে আছেন।
একটি তৃণমূল পর্যায়ে কাজ করা বিভিন্ন বেসরকারি গোষ্ঠীর একটি জোট হিসেবে নিজেদের পরিচিতি দেয় দ্য ইন্টারন্যাশনাল ক্যাম্পেইন টু অ্যাবোলিশ নিউক্লিয়ার ওয়েপনস (আইসিএএন)। শতাধিক দেশে এই গোষ্ঠী কাজ করছে। সংস্থাটি অস্ট্রেলিয়ায় প্রথম কাজ শুরু করেছিল। ২০০৭ সালে এটি ভিয়েনায় কাজ শুরু করে।
শান্তিতে নোবেল পুরস্কারের ঘোষণা দেওয়ার অনুষ্ঠানে নরওয়েজীয় নোবেল কমিটি বলেছে, বর্তমান বিশ্বে পারমাণবিক সংঘাতের ঝুঁকি বেড়ে গেছে। কমিটির নেতা বেরিট -রিজ-অ্যান্ডারসন বলেন, ‘আমরা এমন একটি বিশ্বে বাস করি, যেখানে পারমাণবিক অস্ত্রের ঝুঁকি আগের চেয়ে অনেক বেশি।’
রোমান ক্যাথলিকদের ধর্মগুরু পোপ ফ্রান্সিস; জার্মান চ্যান্সেলর আঙ্গেলা ম্যার্কেল; সিরিয়ার স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা হোয়াইট হেলমেটস এবং এর নেতা রিদ আল সালেহ; ইরানের পরমাণু চুক্তির মধ্যস্থতাকারী ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতিবিষয়ক প্রধান ফেদরিকা মোগেরিনি ও ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভেদ জারিফ, তুরস্কের ক্যান ডি এন্ডার এবং কামহুরিয়াত, জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা, আমেরিকান সিভিল লিবার্টিস ইউনিয়ন, রাইফ বাদাই এবং গাম্বিয়ায় শান্তি স্থাপনে ভূমিকা পালনকারী আঞ্চলিক জোট ইকোনমিক কমিউনিটি অব ওয়েস্ট আফ্রিকান স্টেটস (ইকোওয়াস)।
এ ছাড়া আলোচনায় আছে আন্তর্জাতিক লায়ন্স ক্লাব, উইকিলিকসের প্রতিষ্ঠাতা জুলিয়ান অ্যাসাঞ্জ, অভিনেতা লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
(বিস্তারিত আসছে)
আরও পড়ুন;
সাহিত্যে নোবেল পেলেন কাজুরো ইশিগুরো
দেহঘড়ির আবিষ্কর্তারা পেলেন নোবেল
আইনস্টাইনের তরঙ্গের গবেষণাকারীরা পেলেন নোবেল
সাইরো-ইলেকট্রন মাইক্রোস্কোপির গবেষকরা পেলেন নোবেল