এই ডায়েট চার্ট মেনেই মিস ওয়ার্ল্ড হয়েছেন মানুষী




মিস ইন্ডিয়ার মুকুট মাথায় ওঠার মুহূর্ত থেকেই মিস ওয়ার্ল্ডের খেতাব ছিল পাখির চোখ। গভীর অধ্যাবসায়ে নিজেকে বদলে ফেলেছিলেন মানুষী।
মূল প্রতিযোগিতার ১৫ দিন আগে তাঁর জন্য বিশেষ ডায়েট চার্ট ও ফিটনেস রুটিন তৈরি করেছিলেন নিউট্রিশনিস্ট নমানী আগরওয়াল। সেই রুটিন মেনে চলেই দেশকে গর্বের মুকুট এনে দিয়েছেন মানুষী। দেখে নিন সেই রুটিন।
সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস লেবু জল খান মানুষী
সকালের নাস্তায় ওটস বা হুইট ফ্লেক্স, সঙ্গে দই, বাদাম ও টাটকা ফল।

দুপুরের খাবরে ১-২ টা রুটি বা এক বাটি ভাত, সবজি, সালাত ও রায়তা।
সন্ধেবেলায় ফ্রুট স্মুদি, দই দিয়ে শশা বা গাজর স্টিক।

রাতের খাবারে (রাত ৭ টায়) কিনোয়া স্যালাড বা কিনোয়া পোলাওয়ের সঙ্গে সুপ, অথবা চিক পিজ।
রাতে খিদে পেলে যেকোন টাটকা ফল।

প্রতি দিন তিন লিটার পানি খেতেন মানুষী। সপ্তাহে ৪-৫ দিন সকালে হাঁটতেন। প্রতি দিন জাম্পং জ্যাক।
যত ব্যস্ততাই থাক রাতে ৮ ঘন্টা ঘুমোতেন মানুষী। রাতে ঘুমোতে যাওয়ার ২ ঘন্টা আগে নিয়ম করে ফোন অফ করতেন মানুষী।

মানুষী এই খেতাব জেতা ষষ্ঠ ভারতীয়। এশিয়ার মধ্যে ভারতই প্রথম মিস ওয়ার্ল্ডের খেতাব ছিনিয়ে নিয়েছিল। সেটা ১৯৬৬ সাল। সে বার ডাক্তারির ছাত্রী রীতা ফারিয়া ভারত তো বটেই, এশিয়ার ইতিহাসে প্রথম মিস ওয়ার্ল্ড হয়েছিলেন। রীতার পর দীর্ঘ কয়েক দশক ভারত থেকে কেউ ওই খেতাব জেতেননি। শেষে খরা কাটে ১৯৯৪তে। সে বার বিশ্বসুন্দরীর খেতাব পেয়েছিলেন ঐশ্বর্যা রাই। তার পর ১৯৯৭তে ডায়না হেডেন, ’৯৯তে যুক্তামুখী এবং ২০০০ সালে প্রিয়ঙ্কা চোপড়া মিস ওয়ার্ল্ডের শিরোপা পেয়েছেন। তার পর আবারও দেড় দশকের অপেক্ষা। অবশেষে মানুষীর হাত ধরেই সেরা সুন্দরীর শিরোপা পেল ভারত।

‘মিস ওয়ার্ল্ড’ হওয়ার আগে কেমন দেখতে ছিলেন মানুষী