আইফোন টেনের উৎপাদন বন্ধের আশঙ্কা!




চলতি বছরের মাঝামাঝি সময় থেকে আইফোন টেনের প্রথম প্রজন্মের উৎপাদন বন্ধ করতে পারে অ্যাপল। পাশাপাশি চলতি বছরের শেষের দিকে দ্বিতীয় প্রজন্মের মডেল উন্মোচন করতে পারে প্রতিষ্ঠানটি। তাইওয়ানভিত্তিক ব্যবসায়িক গ্রুপ কেজিআই সিকিউরিটিজের বিশ্লেষক মিং চি কুও এমনটাই দাবি করেছেন।
এ বিষয়ে মিং চি কুও বলেন, দাম কমিয়ে আইফোন টেন বিক্রি করবে না অ্যাপল। কারণ দাম কমালে প্রতিষ্ঠানটির কম মূল্যের অন্যান্য প্রিমিয়াম আইফোনগুলোর ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
মিং চি কুওকে উদ্ধৃত করে ম্যাকরিউমারস গত সোমবার এক প্রতিবেদনে জানায়, চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) অ্যাপল প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ ইউনিট আইফোন টেন সরবরাহের প্রত্যাশা করছে। তিনি বলেন, চলতি বছরের প্রথম ও দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) যথাক্রমে ২০-৩০ লাখ ইউনিট ও ১৫-২০ লাখ ইউনিট আইফোন টেন সরবরাহের প্রত্যাশা করা হয়েছিল। তবে পরে তা কমিয়ে যথাক্রমে ১৮ লাখ ইউনিট ও ১৩ লাখ ইউনিট সরবরাহ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
তার ভাষ্যমতে, ২০১৮ সালের মাঝামাঝি সময়ে আইফোন টেনের সরবরাহ বন্ধ হবে। এতে ডিভাইসটির মোট সরবরাহ ৬ কোটি ২০ লাখ ইউনিটে পৌঁছাবে, যা আগের পূর্বাভাসে ৮ কোটি ইউনিটের কথা বলা হয়েছিল। চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে নতুন মডেল আসার পরেও কম দামে আইফোন টেনের পুরনো মডেলের ডিভাইস বিক্রি করলে অ্যাপলের ব্র্যান্ড মূল্য কিংবা লাইনআপ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
কেজিআই সিকিউরিটিজের বিশ্লেষকের মতে, আইফোন টেনের দাম কমিয়ে বিক্রি করা হলে চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে ৬ দশমিক ১ ইঞ্চি এলসিডি পর্দার নতুন যে ডিভাইসটি আসছে, সেটির বিক্রিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে। মিং চি কুও বলেন, আইফোন টেনে বেশকিছু জনপ্রিয় চীনা অ্যাপ নেই। এ কারণে দেশটির গ্রাহকদের মধ্যে ডিভাইসটি কিনতে আগ্রহ কম দেখা যাচ্ছে।
বাজার বিশ্লেষকদের মতে, চীনে প্রত্যাশার চেয়ে আইফোন টেনের বিক্রি কমেছে। এ কারণে চলতি বছরের প্রথমার্ধে দেশটিতে সরবরাহ কমছে।