খাবার হিসেবে যেসব ফুলের সুনাম রয়েছে




কম বেশি সব বয়সের সব মানুষের ফুল প্রিয়। সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে যেমন ফুলের জুড়ি নেই, তেমনি পেট পূজাতেও ফুলের কদর রয়েছে। আসুন জেনে নেয়া যাক খাদ্য হিসেবে কোন ফুলের সুনাম আছে;

গোলাপ:

আমাদের দেশে গোলাপ খুব জনপ্রিয় ফুল। বিভিন্ন অনুষ্ঠান, ভালোবাসা সব ক্ষেত্রেই গোলাপের জুড়ি নেই। জানেন কি? আদিকাল থেকে এখন অবধি গোলাপ খাবারে ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রাচীনকাল থেকে এখনও খাবারে গোলাপ জল ব্যবহৃত হয়। তাছাড়া সুগন্ধের জন্য গোলাপের পাপড়ি শুকিয়ে গুঁড়া করে বিভিন্ন খাবারে দেয়া হয়। গোলাপের পাপড়ির চা যেমন স্বাস্থ্যকর; তেমনি উপাদেয়। তাছাড়া গোলাপের পাপড়ি দিয়ে গুলকান্দ নামে একধরণের মিস্টিদ্রব্য তৈরি করা হয়।

কলার মোচা:

কলাগাছের ফুলকে মোচা বলে। মোচা তরকারি হিসেবে বেশ উপকারি। কোন কোন অঞ্চলে ডালের বড়ি বা চিংড়ি দিয়ে মোচা ঘন্ট করে খাওয়া হয়। মোচা ভেজেও খাওয়া যায়, আবার ময়দা বা বেসন দিয়ে মাখিয়ে বড়া বানিয়ে খাওয়া যায়। অনেকে আবার কলার মোচার কোফতাও তৈরি করেন।

সজনে ফুল:

সজনের ডাটা খুব পরিচিত। তরকারি হিসেবে সজনের ডাটা অতুলনীয়। সজনের ফুলও কিন্তু খাদ্য হিসেবে খারাপ নয়। গরম ভাতের সাথে সজনে ফুলের বড়া খেতে বেশ।

কুমড়ো ফুল:

কুমড়ো ফুলের বড়া খুব জনপ্রিয় একটি খাবার। বেসন বা চালের গুঁড়া দিয়ে কুমড়ো ফুল চুবিয়ে ডুবো তেলে ভেজে বড়া বানানো বেশ সহজই। কোথাও কোথাও কুমড়ো ফুলের ঝোল করেও খান অনেকে।

শিমের ফুল:

শিমের ফুল চুলায় হালকা আঁচে ভেজে নিয়ে, পেঁয়াজ, মরিচ আর সরিষার তেল দিয়ে ভর্তা বানিয়ে গরম ভাতের সাথে খেতে খুব সুস্বাদু।

জুঁই ফুল:

জুঁই ফুল চা এর সাথে মিশিয়ে খাওয়া হয়। সাধারণত গ্রিন টির সাথে জুঁই ফুল মিশিয়ে খায় অনেকে। এই স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারি।

গাঁদা:

গাঁদা ফুলের পাপড়ি দৃষ্টিশক্তির জন্য খুব ভালো। গাঁদা ফুলের পাপড়ি চায়ের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়া যায়।

অপরাজিতা:

অপরাজিতা ফুলও কিন্তু খাওয়া যায়। এই ফুলের চা শরীরের জন্য বেশ উপকারী। এছাড়া কেক ও জেলি জাতীয় খাবারে অপরাজিতা ফুল ব্যবহার করা হয়।