সাউথাম্পটনে ফিরে এসেছিল ব্যাঙ্গালুরুর স্মৃতি


সাউথাম্পটনে ফিরে এসেছিল ব্যাঙ্গালুরুর স্মৃতি
সাউথাম্পটনে ফিরে এসেছিল ব্যাঙ্গালুরুর স্মৃতি

২০১১ সালের বিশ্বকাপ। ভারতের ব্যাঙ্গালুরুর চিন্নেস্বামী স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৩২৭ রান তাড়া করে জিতেছিল আয়ারল্যান্ড। নয় বছর যেন যেন সেই ঘটনারই পুনরাবৃত্তি। বিস্বচ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সাউথাম্পটনে ৩২৯ রান তাড়া করে দাপটের সাথে জিতেছে জায়ান্ট কিলার তকমা নিজেদের গায়ে জড়িয়ে নেওয়া আয়ারল্যান্ড।

প্রথম দুই ম্যাচ জিতে সিরিজ নিশ্চিত করে ফেলেছিল ইংল্যান্ড। তৃতীয় ম্যাচটিতেও স্বাগতিকদের জন্য সহজ জয় অপেক্ষা করছে প্রথম ইনিংস শেষে তেমনটাই মনে হয়েছিল। সাউদাম্পটনের অ্যাগাস বোলে যে ৩২৮ রানের বড় সংগ্রহই গড়েছিলেন ইয়ন মরগ্যানরা।

এই বিশাল টার্গেটকে মামুলি বানিয়ে সাত উইকেটের বিশাল জয় পেয়েছে ২০১৯ বিশ্বকাপে সুযোগ না পাওয়া আইরিশরা।

মঙ্গলবারের ম্যাচে ওই কেভিন ও’ব্রায়েনের ব্যাট থেকেই এসেছে জয়সূচক রানটি। ১৫ বলে ২১ রানে অপরাজিত থাকেন তিনি। সঙ্গে ২৬ বলে ২৯ রান করে বিজয়ীর বেশে মাঠ ছাড়েন হেরি টেক্টর।

আয়ারল্যান্ডের এই দুর্দান্ত জয়ের ভিতটা অবশ্য গড়ে দিয়েছিলেন পল স্টার্লিং আর অধিনায়ক অ্যান্ডি বালবির্নি। ৫০ রানে প্রথম উইকেট হারানোর পর জোড়া সেঞ্চুরিতে দলকে টেনে নিয়ে যান তারা। দ্বিতীয় উইকেটে এই যুগল তুলেন ২১৪ রান।

১২৮ বলে ৯ বাউন্ডারি আর ৬ ছক্কায় ১৪২ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস খেলে রানআউটের কবলে পড়েন স্টার্লিং। এরপর ১১২ বলে ১২ বাউন্ডারিতে ১১৩ রান করা বালবির্নিও ফিরে যান সাজঘরে। তবে ততক্ষণে জয়টা বলতে গেলে কাছে চলে এসেছে আইরিশদের। বাকি কাজটা সহজেই সেরেছেন ও’ব্রায়েন আর টেক্টর।

এর আগে টপ অর্ডারের ব্যর্থতার পরও ইয়ন মরগ্যানের দায়িত্বশীল ৮৪ বলে ১৫ চার আর ৪ ছক্কায় খেলেন ১০৬ রানের ইনিংসের উপর ভর করে রানের ভিত পায় স্বাগতিকরা।

। ৪৪ রানের মাথায় ৩ উইকেট হারানো দলকে টেনে তুলতে টম ব্যান্টনকে নিয়ে ১৪৬ রানের জুটি গড়েন ইংলিশ দলপতি। ব্যান্টনের ব্যাট থেকে আসে ৫৮ রান।

তারপরও ২১৬ রান তুলতে ৭ উইকেট হারিয়ে বসেছিল স্বাগতিকরা। উইলি আর কুরান মিলে সেই বিপদ সামলেছেন। অষ্টম উইকেটে ৭৩ রানের জুটি গড়েন তারা। উইলি ৪২ বলে ৫১ রানে আউট হন। কুরান ৫৪ বলে ৩৮ রানে অপরাজিত থাকেন।