ডেঙ্গু করোনা প্রতিরোধে ইমিউনিটি বাড়াতে সক্ষম?


ডেঙ্গু করোনা প্রতিরোধে ইমিউনিটি বাড়াতে সক্ষম?
2006 Prof. Frank Hadley Collins, Dir., Cntr. for Global Health and Infectious Diseases, Univ. of Notre Dame This 2006 image depicted a female Aedes aegypti mosquito as she was obtaining a blood-meal from a human host through her fascicle, which had penetrated the host skin, was reddening in color, reflecting the blood?s coloration through this tubular structure. In this case, what would normally be an unsuspecting host was actually the CDC?s biomedical photographer?s own hand, which he?d offered to the hungry mosquito so that she?d alight, and be photographed while feeding. As it would fill with blood, the abdomen would become distended, thereby, stretching the exterior exoskeletal surface, causing it to become transparent, and allowed the collecting blood to become visible as an enlarging intra-abdominal red mass, as is the case in PHIL# 9175, and 9176. As the primary vector responsible for the transmission of the Flavivirus Dengue (DF), and Dengue hemorrhagic fever (DHF), the day-biting Aedes aegypti mosquito prefers to feed on its human hosts. Ae. aegypti also plays a major role as a vector for another Flavivirus, "Yellow fever". Frequently found in its tropical environs, the white banded markings on the tarsal segments of its jointed legs, though distinguishing it as Ae. aegypti, are similar to some other mosquito species. Also note the lyre-shaped, silvery-white markings on its thoracic region as well, which is also a determining morphologic identifying characteristic.

যেসব এলাকায় ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বেশি, সেসব এলাকায় করোনা সংক্রমণ এর হার কম। ব্রাজিলের বিজ্ঞানীদের গবেষণায় এমনই এক তথ্য উঠে এসেছে। তারা বলছেন, করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে মানবশরীরে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা অর্থাৎ ইমিউনিটি গড়ে তুলতে সক্ষম ডেঙ্গু মশার সংক্রমণজনিত অসুস্থতা।

এই গবেষণায় উঠে আসা চমকপ্রদ তথ্য জানিয়েছেন আমেরিকার ডিউক ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক মিগুয়েল নিকোলেলিস।

তিনি বলেন, ব্রাজিলে ডেঙ্গুর সঙ্গে করোনার এই সম্পর্কের উপর ভিত্তি করে শুরু হওয়া গবেষণাটির তত্ত্ব ও তথ্যগুলি সঠিক প্রমাণিত হলে ডেঙ্গু সংক্রমিত ব্যক্তির শরীরে বা একটি কার্যকর এবং নিরাপদ ডেঙ্গু ভ্যাকসিনের মাধ্যমে করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি করা সম্ভব হতে পারে।

তিনি আরও বলেন, শরীরে ডেঙ্গুর প্রতিষেধক রয়েছে এমন ব্যক্তির শরীরে কখনও কখনও করোনার অ্যান্টিবডি পাওয়া গেছে। তাদের করোনা সংক্রমণ না হওয়া সত্ত্বেও এই অ্যান্টিবডি মিলেছে।

তার মতে, ডেঙ্গুর সার্সকোভ-২ ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনগুলিকে খতম করে দিতে পারবে। অসংখ্য এমন অ্যান্টিবডি দিয়ে তৈরি হয়েছে ‘‌অ্যান্টিবডি ককটেল।’‌ যা মানুষের শরীরে ঢুকলে করোনাভাইরাস প্রতিরোধে ইমিউনিটি গড়ে তুলবে বলে দাবি গবেষকদের।