ঢাকা: জনপ্রিয় অভিনেতা আফরান নিশো, চঞ্চল চৌধুরী ও অভিনেত্রী তমা মির্জাকে নিয়ে নির্মিত হচ্ছে ভিকি জাহেদের সিনেমা খলনায়ক। বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ঘরানার এই পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছে।
টেলিভিশন ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মের নির্মাতা ভিকি জাহেদের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র হিসেবে নির্মিত হচ্ছে ‘খলনায়ক’। এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড এবং এইচ টু এইচ স্টুডিওসের প্রথম যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এই চলচ্চিত্রে বড় পর্দায় একসঙ্গে প্রধান চরিত্রগুলোতে অভিনয় করছেন আফরান নিশো, চঞ্চল চৌধুরী ও তমা মির্জা।
প্রধান তিন তারকার পাশাপাশি সিনেমাটিতে দেশের একঝাঁক অভিজ্ঞ মঞ্চ ও পর্দার শিল্পী অভিনয় করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, ফজলুর রহমান বাবু, ইন্তেখাব দিনার, গাজী রাকায়েত, বিজরী বরকতউল্লাহ, সোহেল মণ্ডল, সুজন পাটোয়ারী, সুজন আনোয়ার, তুষার খান ও সেঁজুতি। এ ছাড়া বিশেষ একটি চরিত্রে দেখা যাবে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা সরকারকে।
নিজের প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র প্রসঙ্গে নির্মাতা ভিকি জাহেদ জানান, মানবচরিত্রের গভীর মনস্তাত্ত্বিক জটিলতা ও রহস্যময়তার এক নতুন চিত্রায়ণ হিসেবে গল্পটি সাজানো হয়েছে। অভিনয়শিল্পী নির্বাচন থেকে শুরু করে নির্মাণশৈলীর প্রতিটি ক্ষেত্রেই দর্শকেরা বৈচিত্র্য ও ভিন্নতা দেখতে পাবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
সিনেমাটি নিয়ে অভিনেতা আফরান নিশো বলেন, ‘ভিকি জাহেদের নির্মাণশৈলী, গল্প বলার ধরন অন্যদের থেকে ভিন্ন। চিত্রনাট্য শোনার পরই মনে হয়েছে এটি দারুণ সম্ভাবনাময় একটি কাজ। দেশের একাধিক শক্তিশালী অভিনেতার সঙ্গে অভিনয় করাটা সব সময়ই আনন্দের ও নতুন চ্যালেঞ্জের।’
অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী নিজের চরিত্র প্রসঙ্গে বলেন, ‘ভিকি জাহেদের কাজে সব সময় নতুনত্ব ও ভিন্ন খাঁজ থাকে। “খলনায়ক” সিনেমার চরিত্রটি বেশ জটিল ও মনস্তাত্ত্বিক, যা একজন অভিনেতা হিসেবে আমাকে দারুণভাবে চ্যালেঞ্জ করেছে। নিশোর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতাও সব সময় উপভোগ্য।’
বিনোদন ও গণমাধ্যম জগত ঘিরে কাজ করা প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেডের চেয়ারম্যান মহেন্দ্র সোনি জানান, বাংলাদেশি সিনেমাকে আন্তর্জাতিক পরিসরে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে তাঁরা কাজ করছেন। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহরিয়ার শাকিল বলেন, কনটেন্টের গুণগত মান ও দর্শকপ্রিয়তাকে গুরুত্ব দিয়ে সিনেমাপ্রেমীদের বিশ্বমানের একটি সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার উপহার দিতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তবে মুক্তির চূড়ান্ত তারিখ এখনো জানানো হয়নি।
প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান এসভিএফ আলফা-আই এন্টারটেইনমেন্ট লিমিটেড জানিয়েছে, ইতিমধ্যে ‘খলনায়ক’ সিনেমার দৃশ্যধারণ ও কারিগরি প্রস্তুতির বড় অংশ সম্পন্ন হয়েছে। দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বাংলা ভাষাভাষী দর্শকদের কাছেও সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ঘরানার এই চলচ্চিত্রটি পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে প্রযোজকদের।
সূত্র: প্রথম আলো

