অধিকাংশ শিশুর মৃত্যু হয় সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে


অধিকাংশ শিশুর মৃত্যু হয় সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে


শিশুর মৃত্যু-র প্রধান ৫টি কারণের মধ্যে অন্যতম একটি ‘পানিতে ডুবে মৃত্যু’। যাদের অধিকাংশই সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে মারা যায়।

গণমাধ্যম বিষয়ক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ‘সমষ্টি’ আয়োজিত ‘পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যু রোধে ইস্যুভিত্তিক সংবাদ লিখন’ বিষয়ক প্রশিক্ষণ কর্মশালায় এ তথ্য তুলে ধরা হয়।

শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সাতক্ষীরা সিভিল সার্জনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ কর্মশালায় বলা হয়, বিশ্বে প্রতিবছর ২ লাখ ৩৫ হাজার শিশুর পানিতে ডুবে মৃত্যু হচ্ছে। যার ৯০ ভাগ নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে। বর্তমানে বিশ্বে পানিতে ডুবে যাওয়াকে শিশুদের অনিচ্ছাকৃত মৃত্যু ও আঘাত প্রাপ্তির তৃতীয় প্রধান কারণ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

আরও পড়ুন:  ‘শিশু দিবাযত্ন বিধিমালা ২০২২’ এর খসড়া প্রস্তুত, মানতে হবে ২০ শর্ত

বাংলাদেশে প্রতিবছর পানিতে ডুবে ১০ হাজার শিশুর মৃত্যু হচ্ছে।

দেশে এক থেকে ১৪ বছরের শিশুদের মৃত্যুর প্রধান পাঁচটি কারণের মধ্যে ‘পানিতে ডুবে মৃত্যু’ অন্যতম।

কর্মশালায় আরও বলা হয়, দেশে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের পানিতে ডুবে মৃত্যুর হার বিশ্বের মধ্যে উল্লেখযোগ্য। যাদের অধিকাংশই সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টার মধ্যে মারা যায়।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, ডে কেয়ার সেন্টারে রাখা (মা-বাবা বা কোনো অভিভাবক অনুপস্থিত থাকলে), ৫-১০ বছরের শিশুদের সাঁতার শেখানো ও ব্যাপকহারে সচেতনতা বৃদ্ধি; এই তিনটি প্রতিরোধযোগ্য ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে পানিতে ডুবে শিশু মৃত্যুর হার কমানো সম্ভব।