আক্রান্তে শীর্ষ ১৫ দেশের তালিকায় বাংলাদেশ


দেশে করোনা-র দ্বিতীয় ঢেউয়ের আশঙ্কা, প্রস্তুত থাকার পরামর্শ


বাংলাদেশে গত ২০ দিনে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের তালিকায় আরও ৫০ হাজার নাম যুক্ত হয়েছে। প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ার পাঁচ মাসের মাথায় বর্তমানে দেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা আড়াই লাখ ছাড়িয়ে গেছে। জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় শনাক্ত রোগীর সংখ্যাতে শীর্ষ দেশগুলোর মধ্যে ইতালিকে ছাড়িয়ে বাংলাদেশ এখন রয়েছে ১৫ নম্বরে।

শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিনে ‘বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার করোনা ভাইরাস পরিস্থিতি প্রতিবেদন-২৩’ (সর্বশেষ তিন আগস্ট পর্যন্ত পরিসংখ্যান) এর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, দেশের আট বিভাগের মধ্যে করোনা ভাইরাসে সর্বোচ্চ সংক্রমণের হার ঢাকা বিভাগে। এই বিভাগে সংক্রমণের হার প্রতি ১০ লাখে তিন হাজার ৬৩৭ জন। আর গোটা বিভাগের মধ্যে সংক্রমণের শীর্ষে রয়েছে রাজধানী। এখানে সংক্রমণের হার প্রতি ১০ লাখে ১৪ হাজার ৮২৪.২ জন।

ডা. নাসিমা জানান, বাংলাদেশে এখন প্রতি ১০ লাখে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের হার ১৪২১.৫ জন। বিভাগগুলোর মধ্যে ঢাকায় এ হার সবচেয়ে বেশি, প্রতি ১০ লাখে ৩৬৩৭ জন। আর ঢাকা মহানগরীতে এ হার প্রতি ১০ লাখে ১৪ হাজার ৮২৪.২।

এ ছাড়া প্রতি দশ লাখে চট্টগ্রাম বিভাগে আক্রান্তের হার ১৪০.৭, রাজশাহীতে ৬০৮.৯, খুলনায় ৬৬৩.৫, বরিশালে ৬০৮.৮, ময়মনসিংহে ৩৫৩.৮, সিলেটে ৬৬৪.৩, রংপুরে ৩৪৭.৩।

বাংলাদেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়ে গত ৮ মার্চ। আক্রান্তের সংখ্যা ১ লাখ ছাড়িয়েছিল তিন মাস পর গত ১৮ জুন; তার ঠিক এক মাস পর ১৮ জুলাই তা ২ লাখ ছাড়ায়। এর পরের নতুন ৫০ হাজার রোগী শনাক্তে সময় লাগল ২০ দিন। যার মধ্যে ২ জুলাই ৪ হাজার ১৯ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়, যা একদিনের মধ্যে সর্বোচ্চ।

প্রথম সংক্রমণ শনাক্তের ১০ দিন পর গত ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ২৮ জুলাই সেই সংখ্যা তিন হাজার স্পর্শ করে। এর মধ্যে ৩০ জুন এক দিনেই মারা গেছিল সর্বোচ্চ ৬৪ জন।