আজ প্রধানমন্ত্রীর চা-চক্রে যোগ দেবে না ঐক্যফ্রন্ট



প্রধানমন্ত্রীর চা-চক্রের আমন্ত্রণে যোগ দেবে না জানিয়ে গণভবনে চিঠি দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। জোটের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য সুব্রত চৌধুরীর সাক্ষরে আনুষ্ঠানিকভাবে দাওয়াতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে।

গত ২৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ ২ ফেব্রুয়ারি বিকেল সাড়ে তিনটায় গণভবনে চা-চক্রে আমন্ত্রণ জানান জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের। পরে গতকাল শুক্রবার সকালে গণভবনে ঐক্যফ্রন্টের পক্ষে চিঠি নিয়ে যান জোটের দপ্তর প্রধান জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু, সমন্বয় কমিটির সদস্য আজমেরী বেগম এবং মিডিয়া প্রধান জাহাঙ্গীর আলম।

চিঠিতে জানানো হয়, কমিটি এই চা চক্রে অংশ না নেওয়ার ব্যাপারে সর্বসম্মতভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। চিঠিতে বলা হয়, ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের হাজার হাজার নেতা-কর্মী এখনো জেলে আছেন। নতুন নতুন মামলায় অসংখ্য নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। এমন অবস্থায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চা-চক্রে অংশগ্রহণ করা কোনোক্রমেই সম্ভব নয়।’

এবিষয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী যে চা-চক্রের আয়োজন করেছেন, সেখানে যোগ দিয়ে বিএনপি-ঐক্যফ্রন্ট খোলামেলা আলাপ করতে পারে। প্রধানমন্ত্রীর চা-চক্রের আহ্বান বিএনপি বর্জন করেছে। এটা তাদের নেতিবাচক রাজনীতির ধারা।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, বিএনপি নেতিবাচক রাজনীতির কারণে খাদের কিনারে চলে এসেছে। বিএনপি যদি তাদের চিরাচরিত নেতিবাচক রাজনীতির ধারা আঁকড়ে ধরে থাকে, তাহলে তারা অন্ধকারে খাদে পড়ে যাবে।

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত সদস্যদের সংসদে না যাওয়ার প্রসঙ্গে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, সংসদ বর্জন করা দলের জন্য ক্ষতিকর। নির্বাচনে জয়-পরাজয় আছে। রাজনীতিতে জোয়ার-ভাটা আছে। ঐক্যফ্রন্ট-বিএনপি সংসদ বর্জনের মতো অগণতান্ত্রিক মানসিকতার প্রকাশ ঘটালে সেটা গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয়। তাদের নিজের অস্তিত্বের জন্য ক্ষতিকর।

ওবায়দুল কাদের বলেন, গত সংসদে না থেকেও নির্বাচনে তারা যতটুকু বিজয়ের অংশীদার হয়েছে, এটা নিয়েই তাদের সংসদে যাওয়া উচিত। সংসদের ভেতরে-বাইরে দুই ক্ষেত্রেই আন্দোলন করা যায়। তারা সংসদে গেলে বিরোধী কণ্ঠ উচ্চারিত হবে।