মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ নির্দেশকে কেন্দ্র করে দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা ও ধোঁয়াশার সৃষ্টি হয়েছে। সরকারি সূত্রে তাকে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর নির্দেশনার বার্তা সংবাদমাধ্যমে আসার পর এই নিয়ে সারা দেশে নতুন করে জলঘোলা শুরু হয়েছে।
রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) খবর প্রকাশিত হয় যে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনকে মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই আদেশ প্রকাশ্যে আসার পরপরই রাজনৈতিক ও সামাজিক মাধ্যমে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়।
রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় পিস্তল উঁচিয়ে বিতর্কিত এক অভিযানে অংশ নেওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে সরকার ও রাজনীতিতে অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছিল। এর জের ধরেই সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রী তাকে পদত্যাগের নির্দেশনা দেন বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র থেকে জানা যায়।
তবে এই ধরনের নির্দেশনা বা পদত্যাগের বার্তা পাওয়ার দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন। তার প্রেস কর্মকর্তার মাধ্যমে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে বলা হয়, মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের নির্দেশনা পাওয়ার সংবাদটি সত্য নয় এবং এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তি।
ইশরাক হোসেনের পদত্যাগ সংক্রান্ত চক্রান্ত এবং অপপ্রচারের বিষয়টি তুলে ধরে বলা হয়, তিনি নিয়মিতভাবেই তার রাজনৈতিক ও দাপ্তরিক দায়িত্ব পালন করছেন। বিটিভিতে পরবর্তীতে তার এই অস্বীকার করার খবরটিও ফলাও করে প্রচার করা হয়েছে।

