এশিয়ায় নিম্নমুখী চালের দাম



দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোয় দেশে চাল আমদানির প্রবণতা আগের তুলনায় কমেছে। বেচাকেনা কমার প্রভাব পড়েছে খাদ্যপণ্যটির বাজারে।

ভিয়েতনাম ও ভারতের বাজারে সর্বশেষ সপ্তাহে রফতানিযোগ্য চালের (৫ শতাংশ ব্রোকেন) দাম আগের সপ্তাহের তুলনায় কমে এসেছে। তবে এ সময় থাইল্যান্ডের বাজারে খাদ্যপণ্যটির সাপ্তাহিক দাম আগের তুলনায় সামান্য বেড়েছে।

বিশ্বের তৃতীয় শীর্ষ চাল রফতানিকারক দেশ ভিয়েতনাম। সর্বশেষ সপ্তাহে দেশটিতে রফতানিযোগ্য চাল বিক্রি হয় টনপ্রতি ৩৯০-৩৯৫ ডলারে। আগের সপ্তাহেও খাদ্যপণ্যটি টনপ্রতি ৪০৫-৪২০ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। তার আগের সপ্তাহে দেশটিতে খাদ্যপণ্যটি টনপ্রতি ৪২৫-৪৩০ ডলারে বিক্রি হয়েছিল। সে হিসাবে তিন সপ্তাহ ধরে দেশটির বাজার রফতানিযোগ্য চালের দামে ধারাবাহিক নিম্নমুখী প্রবণতা বজায় রয়েছে।

এদিকে ভিয়েতনামের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথমার্ধে (জানুয়ারি-জুন) দেশটি থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে ৩৪ লাখ ৮০ হাজার টন চাল রফতানি হয়েছে, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ২১ দশমিক ৬ শতাংশ বেশি। এর পরও দেশটিতে চালের দাম কমতির দিকে।

চাল রফতানিকারক দেশগুলোর তালিকায় থাইল্যান্ডের অবস্থান বিশ্বে দ্বিতীয়। সর্বশেষ সপ্তাহে দেশটির বাজারে প্রতি টন রফতানিযোগ্য চাল বিক্রি হয় সর্বনিম্ন ৩৮০ ডলারে। আগের সপ্তাহে দেশটিতে খাদ্যপণ্যটির সর্বনিম্ন দাম ছিল টনপ্রতি ৩৭৮ ডলার। স্থানীয় রফতানিকারকরা জানান, বাংলাদেশ ও শ্রীলংকায় চাল উৎপাদন বেড়ে যাওয়ার কারণে রফতানি চাহিদা কমলেও সরবরাহ আগের তুলনায় কমে যাওয়ায় খাদ্যপণ্যটির দাম সামান্য বেড়েছে।

বিশ্বের শীর্ষ চাল রফতানিকারক দেশ ভারতে সর্বশেষ সপ্তাহে প্রতি টন রফতানিযোগ্য চাল বিক্রি হয় ৩৮৬-৩৯০ ডলারে, যা আগের সপ্তাহের তুলনায় ২ ডলার কম।