করোনাকালে বাংলাদেশের ১৯৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার ঋণ


money @paperslife


বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস প্রকোপের মধ্যে বিভিন্ন দাতা সংস্থার কাছ থেকে ঋণ-সহায়তা হিসেবে রেকর্ড ১৯৮ কোটি ৩০ লাখ ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। এক মাসে এত বেশি বিদেশি ঋণ এর আগে দেশে আসেনি।

এর আগে, গত ২০১৯-২০ অর্থবছরে সব মিলিয়ে দাতাদের কাছ থেকে ৭২৭ কোটি ২০ লাখ ডলার ঋণ পেয়েছে বাংলাদেশ। এই অংক আগের বছরের চেয়ে ১৭ দশমিক ২ শতাংশ বেশি।

এই ঋণের অর্ধেকেরও বেশি, ৩৭৬ কোটি ৮৮ লাখ ডলার এসেছে, মহামারীকালের চার মাস- মার্চ থেকে জুনের মধ্যে।২০১৮-১৯ অর্থবছরে পাওয়া ৬২১ কোটি ডলার ছিল এতদিন এক অর্থবছরে পাওয়া বাংলাদেশের সর্বোচ্চ ঋণ-সহায়তা।

বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাস মহামারীর মধ্যে গত অর্থবছরের শেষ তিন মাস দেশের অর্থনীতি একপ্রকার অচল হয়েই ছিল। তাতে যতটা সঙ্কটে পড়ার কথা ভাবা হচ্ছিল, বিদেশ থেকে থেকে ‘ভালো’ ঋণ-সহায়তা পাওয়ায় ততটা সঙ্কটে সরকারকে পড়তে হয়নি বলে মনে করেন বিশেষোজ্ঞরা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ৩০ জুন শেষ হওয়া ২০১৯-২০ অর্থবছরে দাতাদের কাছ থেকে যে ৭২৭ কোটি ২০ লাখ ডলার ঋণ পেয়েছে বাংলাদেশ, তার মধ্যে বিশ্ব ব্যাংক দিয়েছে ১৩০ কোটি ডলার। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) অর্থবছর হিসাব করে জানুয়ারি-ডিসেম্বর ক্যালেন্ডার ধরে। ২০১৯ সালে এডিবির কাছ থেকে ১৩০ কোটি ডলার পেয়েছিল বাংলাদেশ। আর চলতি ২০২০ সালের জুন পর্যন্ত সময়েই দিয়েছে ১২০ কোটি ডলার।

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) গত অর্থবছরে সরকারকে বাজেট সহায়তা হিসেবে ৭৩ কোটি ২০ লাখ ডলার দিয়েছে। এশীয় অবকাঠামো উন্নয়ন ব্যাংক (এআইআইবি) দিয়েছে ৫০ কোটি ডলার। বাকিটা জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন-জাইকা, ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক-আইএসডিবি এবং অন্যান্য দেশ ও সংস্থার কাছ থেকে পাওয়া গেছে।