কেন বেছে নেবেন দামী সুগন্ধি



প্রতিদিন সকাল থেকে রাত—মনকে সতেজ ও উৎফুল্ল রাখার কাজটা সুগন্ধিই করে। সুগন্ধির ব্যবহার তো আজকালের নয়। প্রাচীন যুগ থেকেই মানুষের পছন্দ এটি। অনেকটা অজান্তেই নিজের ব্যক্তিত্বের সঙ্গে মিলে যায় সুগন্ধি। তবে অনেকেই বিভিন্ন ক্ষতিকর রাসায়নিকের ভয়ে সুগন্ধি ব্যবহার এড়িয়ে চলেন। অবশ্য এই ভয়টি অমূলক নয়। কারণ কয়েক ফোঁটা সুগন্ধি গায়ে লেগে হয়ে যেতে পারে ভয়ঙ্কর কোনো চর্মরোগও, তাই সুগন্ধি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নামি ব্র্যান্ডের সুগন্ধি বেছে নেয়াই ভালো। এতে খরচ বেশি হলেও ত্বকের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে না। সুগন্ধি কেনার আগে জেনে রাখুন একটি বিষয়, সেটি হচ্ছে সুগন্ধি কেনার সময় দাম, ব্র্যান্ড ইত্যাদি বিষয়কে প্রাধান্য দিন। অর্থাৎ সংখ্যায় কম হলেও ব্র্যান্ডেড পারফিউম ব্যবহার করাটাই উত্তম। কিন্তু কেন প্রাধান্য দেবেন দামি ও নামি ব্র্যান্ডের সুগন্ধিকে, এমন প্রশ্ন মাথায় আসতেই পারে। নামি ব্র্যান্ডের সুগন্ধিমাত্রই ত্বকের জন্য ক্ষতিকর উপাদান এড়িয়ে যায়। যেহেতু কয়েক ফোঁটা সুগন্ধি গায়ে লেগেও হয়ে যেতে পারে ভয়ঙ্কর কোনো চর্মরোগও, তাই সুগন্ধি ব্যবহারের ক্ষেত্রে নামি ব্র্যান্ডের সুগন্ধি বেছে নেয়াই ভালো। এতে খরচ বেশি হলেও ত্বকের ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে না। দীর্ঘক্ষণ সুঘ্রাণ বয়ে বেড়ানোর ক্ষেত্রেও নামিদামি ব্র্যান্ডের সুগন্ধির জুড়ি নেই। সুগন্ধি গায়ে মাখার কারণই হচ্ছে আপনার উপস্থিতি সবার মধ্যে ভিন্ন আলোড়ন তৈরি করবে। গায়ে মাখা ঘ্রাণই সবার মধ্যে ভালো লাগার জন্ম দেবে। সেদিক থেকে যদি এমন হয়, সুগন্ধি গায়ে মেখে উৎসবস্থলে পৌঁছানোর আগেই ঘ্রাণ উধাও, তাহলে তো উদ্দেশ্যই পূরণ হয় না। এদিক থেকে নামিদামি ব্র্যান্ডের সুগন্ধিগুলো সুঘ্রাণ ধরে রাখতে সক্ষম। সুগন্ধি কেনার সময় দেখেশুনে নিতে হবে। ভালো ব্র্যান্ড কেনার পাশাপাশি ভালো দোকান থেকে কেনার পরামর্শ বিশেষজ্ঞদের। প্যাকেজিং এ ক্ষেত্রে বড় ভূমিকা পালন করে থাকে। সেলোফেনের কাগজটি কিছুটা ভারী হবে। বাক্সের ওপর দিয়ে প্যাকেট করা থাকবে মসৃণভাবে। যে কাগজটি দিয়ে বাক্সটি বানানো হয় সেটিও বেশ শক্ত হয়ে থাকে। বিখ্যাত ব্র্যান্ডগুলো সাধারণত হালকা রঙের সুগন্ধি বানিয়ে থাকেন। সুগন্ধি পণ্যটির ক্রমিক নম্বর বোতলের নিচের দিকে লেখা থাকবে। আঠা দিয়ে আটকানো থাকবে না। বোতল ও সুগন্ধির বাক্সের নিচের নম্বর একই হবে। আসল সুগন্ধির বোতলটিও ভালো কাচের হয়ে থাকে। বোতলের গঠন ও নকশা যদি মসৃণ ও সূক্ষ্ম না হয় তাহলে সন্দেহ করতে পারেন। কয়েক বছর ধরে যে কটি সুগন্ধি বিশ্ব মাত করে রেখেছে শ্যানেলের ‘নাম্বার ফাইভ’, ডিওরের জাডোর, কেলভিন ক্লেইনের সি কে ওয়ান, প্রাডার লা ফেমে, এলিজাবেথ আরডেনের রেড ডোর ইত্যাদি সুগন্ধির কথা বলা যায়।