গোপনভাবে ভোট দেয়া ভোটারের অধিকার: তথ্যমন্ত্রী


গোপনভাবে ভোট দেয়া ভোটারের অধিকার: তথ্যমন্ত্রী


গাইবান্ধায় উপনির্বাচনে গোপনকক্ষে সিসিটিভি থাকার বিষয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ডক্টর হাসান মাহমুদ বলেছেন, গাইবান্ধায় উপনির্বাচনে গোপনীয় কক্ষে ভোটাররা গোপনভাবে ভোট দেবে, এটাই ভোটারের অধিকার। সেখানে সিসিটিভি বসালে ভোটারদের অধিকার ক্ষুন্ন হয়।

আজ বুধবার সচিবালয়ে নিউজ দপ্তরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।

গত পাঁচ অক্টোবর গাইবান্ধায় উপ নির্বাচনে বিভিন্ন কেন্দ্রে ভোটদানের সময় নানা অসামঞ্জস্য ঘটনা ঢাকায় বসে সিসিটিভিতে দেখে নির্বাচন বন্ধ করে দেয় নির্বাচন কমিশন। এ নিয়ে সর্বত্র ব্যাপক সমালোচনা ঝড় উঠে।

এ বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, কে কোথায় ভোট দিচ্ছে, সেটি সিসি ক্যামেরা বসিয়ে দেখলে এতে একজন ভোটারের মৌলিক অধিকারের উপর হস্তক্ষেপ করা হয়। এটি দেশের আইনজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞদের অভিমত বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। সিসিটিভি ভোটকেন্দ্রে বসানো যেতে পারে, কোন গন্ডগোল হচ্ছে কিনা , কোন সমস্যা হচ্ছে কিনা সেগুলো চিহ্নিত করার জন্য।

আরও পড়ুনঃ মানুষ বিদ্যুৎ পাবে, কিন্তু ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে হবে

এদিকে সরকারি কর্মকর্তাদের বাধ্যতামূলক অবসর দেয়ার বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাধ্যতামূলক অবসর নতুন কোন ঘটনা নয়। ২০০৯ সালেও তথ্য সচিব কে অবসরে পাঠানো হয়েছে। তাছাড়া, পুলিশ সুপারদের অবসর দেয়ার বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দেয়া ব্যাখ্যার প্রসঙ্গ তুলে ধরে বলেন, তাদের পেশাগত কাজের ক্ষেত্রে গাফিলতি ছিল।

উল্লেখ্য, চাকরির নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মকবুল হোসেনকে ‘বাধ্যতামূলক’ অবসরে পাঠিয়েছে সরকার।

রোববার বিকেলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশে সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজম স্বাক্ষরিত এই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ধারা ৪৫ অনুযায়ী জনস্বার্থে সরকারি চাকরি থেকে মকবুল হোসেনকে অবসর প্রদান করা হলো। তবে, কী কারণে তথ্যসচিবকে অবসরে পাঠানো হলো, এ ব্যাপারে কোন তথ্য উল্লেখ করা হয়নি প্রজ্ঞাপনে।