তাঁকে যাচাই করা কি জরুরি?


life partner

তাঁকে যাচাই করা কি জরুরি। আবেগ যে বলে ভিন্ন কথা। তবে মস্তিষ্কের কথা শুনুন। পরে যেনো বাস্তবতার ঢিলে আবেগের কাঁচ ভেঙে না পরে। তাই যাচাই করুন। কেননা এই তাঁকে তো খুবই গুরত্বপূর্ণ; তা না হলে কি আর ত’এ চন্দ্রবিন্দু (ঁ) বসে।

তাই সাক্ষাতে, গল্পে বা আড্ডায় খেয়াল করুন এই বিষয়গুলো;

তাঁর বাড়ির লোকজন কেমন জেনে রাখুন। সে নিজের বাড়ি, সেখানকার পরিবেশ, এমনকি ছোটখাটো কোনও সমস্যার কথা বললেও ধৈর্য নিয়ে শুনুন।

আপনিও বলতে পারেন।সেক্ষেত্রে আপনার সমস্যার প্রতি তাঁর যত্ন বা ভাবনা এ সবের কিছুটা আঁচ পাবেন। তবে অবশ্যই প্রথমে খুব বড়সড় সমস্যা নিয়ে আলোচনা করবেন না। আর সে যদি খুব বড় সমস্যা নিয়ে বলে চুপচাপ শুনুন। মনে রাখবেন এর মানে সে গোপন কথা সহজেই প্রকাশ করে, আপনার বেলায়ও হতে পারে…

আলাপের পর পর একসঙ্গে কোথাও খেতে গেলে অর্ডার করার দায়িত্ব দিন তাঁকেই। তিনি আপনার পছন্দ জানতে চাইছেন কি না খেয়াল করুন। এতে তাঁর স্বভাবের যত্নের দিকটি ফুটে উঠবে।

যদি তা না করে তবে রাগারাগি করবেন না বরং পরে সময় মতো আপনার এই ছোট ছোট চাহিদাগুলো বুঝিয়ে বলুন। তবে আপনার চাওয়া-পাওয়াটুকু পাত্তা না দিলে এই সম্পর্কে যাওয়ার আগে ভাবুন আর এক বার।

বেশিরভাগ সময়ই উল্টো দিকের মানুষটার পছন্দ জানতে চান সকলে। আপনার থেকে তিনি তা জানতে চাইলেও অর্ডারের ভার তাঁর উপরই দিন। এতে তাঁর পছন্দ-অপছন্দ বা খাবার অর্ডারে তিনি স্বচ্ছন্দ কি না তাও বুঝতে পারবেন।

নিজের উচ্চশিক্ষা, চাকরি ইত্যাদি নিয়ে কী পরিকল্পনা রয়েছে তা নিয়ে প্রথম থেকেই কথা বলুন। আপনার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই দিকগুলি নিয়ে তাঁর মতামত বা দৃষ্টিভঙ্গি কী তা জানা দরকার। অফিসের কোনও সমস্যা এলে বা অফিসের কাজের ধরণ, চাপ তা নিয়েও কথা বলতে পারেন। তাতে তাঁর প্রতিক্রিয়া কী হচ্ছে তা দেখেও মানুষটিকে কিছুটা বুঝতে পারবেন।

বিভিন্ন পছন্দের বিষয় নিয়ে তাঁর সঙ্গে কথা বলুন। এতে দু’জনের পছন্দ-অপছন্দ, আগ্রহের দিকটা যাচাই করা যাবে। কোন কোন বিষয়ে মেলে, কোথায় গড়মিল তা বোঝা কিছুটা সম্ভব হবে।

শুধু আপনার সঙ্গে নয়, চারপাশের মানুষজন, রাস্তার অচেনা কেউ, ক্যাব ড্রাইভার, রেস্তরাঁর ওয়েটার, ফোনের উল্টো দিকের মানুষ প্রত্যেকের সঙ্গেই তাঁর ব্যবহার লক্ষ করুন। কার সঙ্গে কী ভাবে কথা বলছেন তা থেকে অনেকটাই সেই মানুষটার আসল স্বভাব বোঝা যায়।