ফেসিয়াল হতে পারে আপনার জন্য উপকারী!



অনেকেই ভেবে থাকে ফেসিয়ালে সময় ও টাকা নষ্ট হয়। কিন্তু জানেন কি! বায়োমেডিকেলের রিসার্চ জার্নালে প্রকাশিত এক গবেষণায় জানা যায়, মুখে ম্যাসাজের মাধ্যমে সহানুভূতিশীল স্নায়ুতন্ত্র সক্রিয় হয়। যার ফলে উদ্বেগ কমে আর মেজাজও ভালো থাকে।

ফেসিয়ালের দ্বারা হরমোনের পরিবর্তন, দূষণ ও স্ট্রেসের কারণে ত্বক যে ক্ষতিগ্রস্ত হয় তা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব সেই সাথে ত্বককে স্ট্রেস ফ্রী করে।

আমাদের মুখে শত শত প্রেসার পয়েন্ট রয়েছে, যা শরীরের বিভিন্ন সিস্টেমের সঙ্গে সংযুক্ত। আর যখনই এ প্রেসার পয়েন্টগুলোয় ম্যাসাজ করা হয়, তখন আমাদের শরীরও সাড়া দিতে শুরু করে। আর একটি ভালো ফেসিয়াল ত্বকের হারানো দীপ্তি ফিরিয়ে আনে। তাছাড়া এটি এক ধরনের মুখের ব্যায়াম। তবে সবসময়ই অভিজ্ঞ বিউটিশিয়ান দ্বারা ফেসিয়াল করা উচিত।

প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে আজকাল অনেকে ঘরে বসেই ফেসিয়াল করে। ত্বকের উপযুক্ত ক্লিনজার, এক্সফলিয়েটর ও স্টিমের মাধ্যমেই করা যাবে ফেসিয়াল। নিয়মিত করতে পারলে ত্বক সুন্দর হয়ে উঠবে।

একটি গবেষণায় জানা গেছে, ম্যাসাজ করার ফলে শরীরের রক্ত সঞ্চালন বাড়ে। মুখের ক্ষেত্রেও এই একই কথা। ম্যাসাজের ফলে ত্বকে অক্সিজেন ও পুষ্টি উভয়ই পৌঁছে। ফলে ত্বক আরো বেশি জেল্লা ছড়ায়।

বয়সের সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা স্বাভাবিকভাবেই কমতে থাকে। ফেসিয়ালের মাধ্যমে ত্বকের ক্ষয়ক্ষতি অনেকটাই কমে যায়। এক্ষেত্রে অভিজ্ঞ থেরাপিস্টের কাছ থেকে সঠিক উপকরণ দিয়ে ফেসিয়াল করিয়ে নিতে হবে।

কতদিন পরপর ফেসিয়াল করা উচিত? যদি আপনার ত্বক তৈলাক্ত হয়, তাহলে ব্রণ ও র্যাশ হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই এ ধরনের ত্বকের অধিকারীদের প্রতি দুই সপ্তাহে একবার ফেসিয়াল করা উচিত। আর যদি শুষ্ক, মিশ্র বা স্বাভাবিক হয়, তাহলে মাসে একবার করাই যথেষ্ট।

সঠিক উপায়ে ফেসিয়াল করে ত্বককে অকালে বুড়িয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করুন আর ত্বকের তারুণ্যদীপ্ত উজ্জ্বলতা ধরে রাখুন।