বাড়ছে ধর্ষণ, কিশোরীরাই মূল শিকার



সাম্প্রতিক সময়ে দেশে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ধর্ষণের ঘটনা। 

প্রতিনিয়ত এই অপরাধ দেশের কোথাও না কোথাও ঘটছেই। তবে অপ্রিয় হলেও সত্যি যে অপরাধীদের লক্ষ্যবস্তুতে এর মূল শিকার কিশোরীরাই।

এ বছরের প্রথমদিকে ধর্ষণের শিকার হয়ে ২১১ জন নারী ও শিশু ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি হয়েছে, যা বিগত বছরের প্রথম মাসের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ।

এরই মধ্যে গত বুধবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ধর্ষণের শিকার ১০ নারী ও শিশুকে চিকিৎসাধীন পাওয়া যায়। যাদের ৯ জনের বয়সই প্রায় ১০ থেকে ১৯ এর মধ্যে। এছাড়াও এদের মধ্যে গণধর্ষণের ঘটনাও রয়েছে।

তবে বেসরকারি হিসাবে বিগত বছরগুলোর তুলনায় সাম্প্রতিক ধর্ষণের ঘটনা বাড়ার তথ্য উঠে এসেছে। সবচেয়ে বেশি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ২০১৯ সালে। মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক)  হিসাব অনুযায়ী, গত বছর মোট ১ হাজার ৪১৩ জন নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছে, যা ২০১৮ সালের তুলনায় ৯৩ শতাংশ বেশি। এর মধ্যে গণধর্ষণের ঘটনা ছিল ৩২৭টি। ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ৭৬ নারী ও মেয়েশিশুকে।

এ বিষয়ে মাল্টিসেক্টরাল কর্মসূচির পরিচালক আবুল হোসেন বলেন, ধর্ষণের ঘটনা বেড়ে যাওয়া উদ্বেগের। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কারণে এখন প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকেও অভিযোগ আসছে, মানুষের মধ্যে বিচার চাওয়ার প্রবণতাও আগের তুলনায় বেড়েছে।

ঢাকা মেডিকেল ওসিসির সমন্বয়ক বিলকিস বেগম জানান, ধর্ষণের শিকার হয়ে কিশোরীরাই ওসিসিতে আসছে। যাদের বেশির ভাগই পরিচিত, নিকট স্বজন এবং প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে ধর্ষণের শিকার হয়।