বয়সবৈষম্যের অভিযোগে ফাঁসলো ইনটেল



কর্মী ছাঁটাইয়ে বয়সবৈষম্যের অভিযোগে তদন্ত শুরু হয়েছে প্রযুক্তি খাতের প্রবীণ মোড়ল ইন্টেলের বিরুদ্ধে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে এমন তথ্যই জানানো হয়েছে। অভিযোগের মূল বক্তব্য হলো, বয়স্ক কর্মীদের বাদ দিয়ে ইন্টেল অপেক্ষাকৃত তরুণ কর্মীদের চাকরিতে বহাল রাখতে চেয়েছিল।
কয়েক মাস আইবিএমের বিরুদ্ধেও বয়সবৈষম্যের অভিযোগ উঠেছিল। অনেক প্রতিষ্ঠান মালিক মনে করেন, বয়স্ক কর্মীদের বেশি বেতন দিতে হয়। তারা অধিকার সম্পর্কে তুলনামূলক বেশি সচেতন। তারা পরিবারের সঙ্গে বেশি যুক্ত থাকে। এসব বিবেচনায় বয়স্ক কর্মীদের বাদ দেয়া প্রতিষ্ঠানের জন্য ভালো। তবে যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী, বেশি বয়সের জন্য কারো প্রতি বৈষম্যের কোনো সুযোগ নেই।
ইন্টেল দাবি করেছে, ২০১৬ সালে ১২ হাজার কর্মী ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় বয়স, গোত্র, জাতীয়তা, লিঙ্গ, অভিবাসন বা অন্য যেকোনো ব্যক্তিগত ভিন্নতাকে অগ্রাধিকার দেয়া হয়নি। এ-সংক্রান্ত ঘোষণায় প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, স্বেচ্ছা ও বাধ্যতামূলক অবসর উভয় প্রক্রিয়ার মিশ্রণে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন হবে এবং তা ২০১৭ সাল পর্যন্ত দীর্ঘায়িত হতে পারে।
তবে ইন্টেলের নথি পর্যালোচনা করে ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, ওই সময় ছাঁটাইকৃত ২ হাজার ৩০০ কর্মীর বয়সের মধ্যমান ছিল ৪৯ বছর, যা চাকরিতে বহালরতদের বয়সের মধ্যমানের চেয়ে ৭ বছর বেশি।
প্রতিবেদনে জানানো হয়, ওই সময় চাকরি হারানোর পর কয়েক ডজন সাবেক কর্মী ইন্টেলের বিরুদ্ধে মামলা করার ব্যাপারে আইনি পরামর্শ নিয়েছিলেন। এদের কেউ কেউ যুক্তরাষ্ট্রের ইক্যুয়েল এমপ্লয়মেন্ট অপরচুনিটি কমিশনে (ইইওসি) অভিযোগ দাখিল করেছেন।