ভারতের সুপ্রিম কোর্টে ফেলানি হত্যা মামলার শুনানি শুরু



বহুল আলোচিত কিশোরী ফেলানি হত্যা মামলার আপিল শুনানির শুরু হয়েছে।

ভারতের সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচুড় এবং বিচারপতি কে এম যোশেফের সমন্বয়ে গঠিত ডিভিশন বেঞ্চ আজ শুক্রবার আলোচিত এই মামলার আপিলের শুনানি গ্রহণ করে আগামী ১৮ মার্চ পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন।

উল্লেখ যে, ২০১১ সালের ৭ জানুয়ারি ভোরে ভারতীয় দালালদের সহায়তায় কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর অনন্তপুর সীমান্ত দিয়ে বাবা নুরুল ইসলামের সঙ্গে বাড়ি ফিরছিল ফেলানী। মই দিয়ে কাঁটাতারের বেড়া পার হওয়ার সময় বিএসএফের সদস্য অমিয় ঘোষের গুলিতে ফেলানী মারা যায়। এরপর তার দেহ অন্তত পাঁচ ঘণ্টা কাঁটাতারের বেড়ায় ঝুলে থাকে। কাঁটাতারে ঝুলে থাকা কিশোরী ফেলানীর লাশ আলোড়ন তুলেছিল দেশ-বিদেশের গণমাধ্যমে। আন্তর্জাতিক মানবাধিকারকর্মীদের সমালোচনার মুখে ২০১৩ সালের ১৩ আগস্ট পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের কোচবিহার জেলার বিএসএফের বিশেষ আদালতে ফেলানী হত্যার বিচারকাজ শুরু হয়। অথচ এক মাস না পেরোতেই ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর অভিযুক্ত অমিয় ঘোষকে বেকসুর খালাস দেন বিএসএফের বিশেষ আদালত। এরপর থেকে আইনি লড়াই চলছে।

ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) যে জওয়ানের গুলিতে ১৫ বছরের ফেলানীর মৃত্যু হয়েছিল, সেই অমিয় ঘোষ নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন। বিএসএফের বিশেষ আদালত তাকে বেকসুর খালাস দেন। এ নিয়ে হইচই হলে বিএসএফের রায় পুনর্বিচার করার সিদ্ধান্ত হয়। পুনর্বিচারেও অমিয় ঘোষকে দোষী সাব্যস্ত করা যায়নি। এরপর ভারতের সুপ্রিম কোর্টে ন্যায়বিচার ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হয়।