যার ত্যাগে টুইটার আজ এখানে,২ বছর বিনা বেতনে ১ বছর নিয়েছেন ১২০ টাকা



তিনি টুইটারের সহপ্রতিষ্ঠাতা। ২০০৮ সালে তাকে বরখাস্ত করা হয়। প্রধান নির্বাহীর দায়িত্ব দিয়ে ২০১৫ সালে পুনরায় ফিরিয়ে আনা হয়।

২০১৫ সালে যখন তিনি প্রধান নির্বাহীর দায়িত্বে আসেন, তখন বিশেষ করে ফেসবুক ও হোয়াটসঅ্যাপের তুলনায় বেশ পিছিয়ে পড়েছিল টুইটার। ২০১৫ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত টুইটার থেকে কোনো ধরনের বেতন-ভাতা গ্রহণ করেননি। ২০১৮ সালে এসে প্রথম তিনি বছরে ১ দশমিক ৪০ ডলার বেতন নেন। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় ১২০ টাকার মতো!

টুইটারের আজকের অবস্থানের পেছনে তার ত্যাগ মোটেই নিতান্ত নয়। বলছিলাম জ্যাক ডরসি কথা। ২০০৬ সালে যে চারজনের হাত ধরে টুইটার প্রতিষ্ঠা হয়, তাদের মধ্যে ডরসি অন্যতম। তার জীবন টাও অনেকটা অ্যাপলের প্রতিষ্ঠাতা স্টিভ জবসের মতো।

শুধু তাই নয়, নামমাত্র বেতন বা সম্মানী নেওয়ার ক্ষেত্রে ডরসিই প্রথম কোনো ব্যক্তি নন; প্রথম দিকে বেশ কয়েক বছর ফেসবুকপ্রধান মার্ক জাকারবার্গও নামমাত্র সম্মানী নিতেন। বছরে যার পরিমাণ ছিল মাত্র ১ ডলার। এদিক থেকে অ্যালফাবেটের প্রধান নির্বাহী ল্যারি পেজ আরও এগিয়ে। দায়িত্ব পালনের জন্য ২০০৪ সাল থেকে ল্যারি নিচ্ছেন বছরে মাত্র ১ ডলার।

যা হোক,ডরসির হাত ধরে টুইটার তখন ছুটছে দুর্বার গতিতে। তারই ফলসরূপ ২০১৮ সালে এসে টুইটারে ডরসির মালিকানায় থাকা শেয়ারের দাম ২০ শতাংশ বেড়ে যায়।

দায়িত্ব নেয়ার পর শুরুতেই ডরিস টুইটারের নিয়মনীতিতে কিছু মৌলিক পরিবর্তন আনেন। এর মধ্যে অন্যতম হলো টুইটে শব্দসংখ্যা বাড়ানো। শুরুর দিকে টুইটার ব্যবহারকারীকে ১৪০ ক্যারেক্টারের মধ্যে টুইট শেষ করতে হতো। ২০১৭ সালে শব্দসীমা ২৮০ ক্যারেক্টারে উন্নীত করেন তিনি।