রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে ডিআইজি মিজান সাময়িক বরখাস্ত


DIG Mizan @paperslife

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের অনুমোদনে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানকে।

সম্প্রতি ডিআইজি মিজানের দুর্নীতির অনুসন্ধানে নেমে দুদক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন; এমন অভিযোগের পক্ষে ঘুষ লেনদেনের অডিও কথোপকথন প্রকাশের পর সম্প্রতি আলোচনায় আসেন ডিআইজি মিজান। এ ঘটনার পরপরই বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

দুদক কর্মকর্তাকে ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি সামনে এলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় মিজানকে সাময়িক বরখাস্তের একটি প্রস্তাব রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের জন্য পাঠায়।

রাষ্ট্রপতির অনুমোদনে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। সাময়িক বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি প্রচলিত বিধি অনুযায়ী খোরাকি ভাতা পাবেন।

এদিকে মিজানের ঘুষ লেনদেনের বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে পুলিশ অধিদপ্তর। কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ প্রশাসন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘বরখাস্তের পর পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে তার (ডিআইজি মিজান) বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।’

সোমবার (২৪ জুন) ৩ কোটি ৭ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন এবং ৩ কোটি ২৮ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মিজানের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দুদক (দুর্নীতি দমন কমিশন। মঙ্গলবার তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হলো।

এ ঘুষ কেলেঙ্কারি খতিয়ে দেখতে মিজান ও বাছিরকে আগামী ১ জুলাই দুদকে হাজির হতে বলা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, ডিআইজি মিজানুর ঢাকা মহানগর পুলিশে (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বিয়ে গোপন করতে নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করানোর অভিযোগ উঠেছিল তার বিরুদ্ধে।

এছাড়া এক সংবাদ পাঠিকাকে প্রাণনাশের হুমকি ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে মিজানুরের বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় সাধারণ ডায়েরিও (জিডি) করা হয়।

নারী নির্যাতনের অভিযোগে গত বছরের জানুয়ারির শুরুর দিকে তাকে প্রত্যাহার করে পুলিশ সদর দপ্তরে সংযুক্ত করা হয়।