সোশ্যাল মিডিয়ার আলোচনায় বরগুনা



সোশ্যাল মিডিয়া কলামঃ

বরগুনা শহরকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এক আবেগঘন ষ্ট্যাটাস দিয়েছেন শহরের কৃতি সন্তান মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর এ কর্মরত ৩৫ তম বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) শিক্ষা কর্মকর্তা তরিকুল ইসলাম বাবু। স্ট্যাটাস জুড়েই ছিল বরগুনা শহরের উত্তরণের ডাক।

তার লেখাটি ছিল, আমি প্রিয় বরগুনার সন্তান। আমার জন্ম বরগুনার ৮ নং ইউনিয়নের উত্তর হেউলিবুনিয়ায় আশির দশকে। বাবা মোঃ আবুল বাসার (পান্না) এবং মাতা নাজনীন সুলতানা। ছোট বেলা থেকে গ্রামে জন্ম নেয়ায় শহরের স্কুলে পড়াশোনা করতে যেতে অনেক কষ্ট হতো, তাই বলে কখনও থেমে থাকিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি ক্রিকেট খেলা নিয়ে ব্যস্ত ছিলাম, স্বপ্নের মধ্যেও ক্রিকেট খেলতাম, যাই হোক তখনকার জেনারেশন শুধু ক্রিকেট না ফুটবল খেলায়ও অনেক ভালো ছিলো, আর এখনকার জেনারেশন কি করে বাবা -মা আপনারা জানেন?

একটু জানবেন দয়া করে….

যাইহোক আমার পরিবারের সবাই রাজনীতি করে এটা আমি দেখতাম ও বুঝতাম। এরপরে বরগুনায় একটা বিদ্রোহ দেখলাম ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে, তখন থেকে রাজনীতির গ্রুপিং শুরু এর এখনও শেষ নেই। বরগুনার মানুষ চিরকালই বিদ্রোহী মনোভাবের থাকবে কি ? এই মনোভাবের কারণে প্রিয় বরগুনা ভালো থাকবে কি? বরগুনার পরবর্তী প্রজন্ম কি রিফাত হত্যা সহ নানা রকম অপকর্ম দেখবে না দীপঙ্কর তালুকদার এর মতো বিজ্ঞানী হবে?

এসব কিছু পরিবর্তন করতে হলে বাবা -মা সহ সবাইকে এক হয়ে আগে বরগুনার সমাজকে পরিবর্তন করতে হবে। তাহলে কোন মাদক তো দুরের কথা একটা ছিচকা চোরও থাকবে না, আসুন বরগুনাকে আবার প্রিয় নগরী হিসেবে গড়ে তুলি।

যে বা যারা শহরের অভিভাবক তাঁরা যেনো মিলেমিশে বরগুনাকে ভালো রাখার চেষ্টা করি। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টাই হওয়া উচিত বরগুনার মানুষের মূলমন্ত্র।

লেখাটি শেয়ার করেন বরগুনার আরেক কৃতি সন্তান সাদেক আহম্মেদ সৈকত। তিনি বাংলাদেশ ফার্মাসিস্টস্ ফোরামের সাধারন সম্পাদক। তিনি প্রিয় বন্ধু তারিকুল ইসলামের লেখাকে সমর্থন করেন এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি লিখেন;

“বন্ধু তরিকুল ইসলাম বাবু লেখাটা বাস্তব ধর্মী, আমরা একসাথে বিদ্যালয়ে না পড়লেও একসাথে চলা, একসাথে ক্রিকেট খেলা , একসাথে কলেজ ও ঢাকায় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় রাজনীতির মাঠে কাজ করা। সবই ছিলো প্রানবন্ত। ধন্যবাদ বাবু বাস্তব ও সময়পোযোগী লেখার জন্য।”