নদীগর্ভে নিশ্চিহ্নের পথে ২৬ গ্রাম!


বগুড়া, Bogura (old name Bogra) District #paperslife


বগুড়ার ধুনট উপজেলার বাঙালী নদীর ভাঙনে তীরবর্তী বসতবাড়ি, আবাদি জমিসহ ২৬টি গ্রাম নদীগর্ভে হারিয়ে যাওয়ার অপেক্ষায় দিন গুনছে।

জানা গেছে, উপজেলার উত্তর-পশ্চিম পাশ দিয়ে বহমান বাঙালী নদী। উত্তরের সাতবেকি গ্রাম থেকে দক্ষিণে পেচিবাড়ী গ্রাম পর্যন্ত প্রায় ৪০ কিলোমিটার নদীপথ। নদীর দুই পাশে তীরবর্তী ২৬টি গ্রাম।

এগুলো হলো, সাতবেকি, পিরাপাট, ডেকরাঘাট, ধামাচামা, জয়শিং, নান্দিয়ারপাড়া, বেড়েরবাড়ী, নাংলু, ফরিদপুর, নিমগাছি, বিলচাপড়ি, হেউডনগর, হাসাপোটল, রামনগর, রাঙ্গামাটি, বিলনোতার, ঝাঝর, শৈলমারী, নলডেঙ্গী, বরইতলী, নবীনগর, বথুয়াবাড়ী, বিলকাজুলী, চকধলী, শাকদহ ও পেচিবাড়ী গ্রাম।

এ উপজেলার ২৬টি গ্রামে কমপক্ষে ২২ বছর ধরে বাঙালী নদীতে ভাঙন দেখা দিয়েছে। এর মধ্যে বর্তমানে জয়শিং, নিমগাছি, পেচিবাড়ি, রামনগর, ফরিদপুর গ্রামে নদীভাঙন ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। অব্যাহত নদীভাঙনে এসব গ্রামের কমপক্ষে ২০০টি পরিবারের বাড়িঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। নদীভাঙনে বদলে যাচ্ছে এলাকার মানচিত্র।

বর্তমানে বাঙালী নদীর পানি কমতে থাকায় প্রবল স্রোতে ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হয়ে ভাঙন আগ্রাসী রূপ ধারণ করেছে। নদীভাঙন ধেয়ে আসছে বসতভিটা ও আবাদি জমির দিকে।

নদী গ্রাস করছে নতুন নতুন এলাকা, বিলীন হচ্ছে জনপদ, কমে আসছে আবাদি জমি, নিঃস্ব হচ্ছে গ্রামের মানুষ, বদলে যাচ্ছে এ সব মানুষের জীবন জীবিকার ধরন। বার বার নদীভাঙনের শিকার হয়ে ওই জনপদের মানুষ সব কিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়ছে।