কেজিতে সর্বোচ্চ ১৬ টাকা কমেছে পেঁয়াজের দাম



দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৪০ টাকার নিচে নেমে এসেছে। দুদিনের ব্যবধানে পণ্যটির দাম কমেছে কেজিতে সর্বোচ্চ ১৬ টাকা। মূলত ভারতের বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধির জের ধরে আমদানি বেড়ে যাওয়া ও দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের তুলনায় চাহিদা কম থাকায় আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে বলে মনে করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা।
গতকাল হিলি স্থলবন্দরে পেঁয়াজের আড়তগুলো ঘুরে ভারতের নাসিক, ইন্দোর ও ষোলাপুর থেকে আমদানি করা তুলনামূলক বড় আকারের পেঁয়াজ পাইকারি পর্যায়ে (ট্রাকসেল) কেজিপ্রতি ৩৮ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়। আর তুলনামূলক ছোট পেঁয়াজ বিক্রি হয় কেজিপ্রতি ৩৪ টাকায়।
দুদিন আগেও আমদানি করা এসব পেঁয়াজ আকারভেদে ৪৯-৫০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। সে হিসাবে হিলিতে দুদিনের ব্যবধানে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে সর্বোচ্চ ১৬ টাকা। তবে পাইকারিতে কমলেও খুচরা বাজারে এর প্রভাব পড়েনি। স্থানীয় খুচরা বাজারে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে কেজিপ্রতি ৫০ টাকায়। দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
স্থানীয় আমদানিকারক হারুন উর রশীদ হারুন বণিক বার্তাকে বলেন, ভারতের বাজারে নতুন মৌসুমের সুখসাগর জাতের পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে। এর জেরে দেশটির বাজারে পেঁয়াজের দাম আগের তুলনায় এক-তৃতীয়াংশ কমেছে। পেঁয়াজের ন্যূনতম রফতানি মূল্যও (এমইপি) কমিয়েছে ভারত সরকার। দাম তুলনামূলক কম থাকায় দেশীয় আমদানিকারকরা পেঁয়াজ আমদানি বাড়িয়েছেন। এর প্রভাব পড়েছে দেশের বাজারে।