পেঁয়াজের ন্যূনতম রফতানি মূল্য তুলে নিয়েছে ভারত



পেঁয়াজের ন্যূনতম রফতানি মূল্য (এমইপি) তুলে নেয়ার ঘোষণা দিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। এমইপি তুলে নেয়ায় আগামী দিনগুলোয় বাংলাদেশের বাজারে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম বর্তমানের তুলনায় কমে আসবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ব্যবসায়ী ও আমদানিকারকরা।
গত বর্ষা মৌসুমে অতিবৃষ্টি ও বন্যার জেরে ভারতে পেঁয়াজ উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছিল। এ সময় দেশটির বাজারে পেঁয়াজের দাম কয়েক গুণ বেড়ে যায়। ফলে রফতানি কমিয়ে অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রাখতে প্রতি টন পেঁয়াজের এমইপি ৫৪ হাজার রুপি বা ৮৫০ ডলার নির্ধারণ করে দেশটির কেন্দ্রীয় সরকার।
তবে চলতি বছরের শুরুতে পেঁয়াজের এমইপি টনপ্রতি ১৫০ ডলার কমানোর ঘোষণা দেয়া হয়। এরপর দেশটির কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলির প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কৃষিপণ্যের রফতানি আরো বাড়ানোর লক্ষ্যে পেঁয়াজের এমইপি কমানো হলো।
এ বিষয়ে টুইটার বার্তায় ভারতের কেন্দ্রীয় শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী সুরেশ প্রভু বলেন, ‘কৃষিপণ্যের রফতানি বাড়ানোর লক্ষ্যে সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত রয়েছে ভারত সরকার।’ তবে বাড়তি এমইপির কারণে পেঁয়াজের রফতানি বাজার হারানোর শঙ্কায় ভুগছিলেন ভারতীয় ব্যবসায়ীরা। এ আশঙ্কা থেকেই পণ্যটির এমইপি তুলে নেয়া হয়েছে বলে মনে করছেন খাতসংশ্লিষ্টরা.
হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি মো. হারুন উর রশীদ হারুন বলেন, ভারতের বাজারে পেঁয়াজের এমইপি তুলে নেয়ার বিষয়টি এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট সবাই জেনেছেন। তবে গতকাল ব্যাংক বন্ধ থাকায় নতুন মূল্যে এলসি খোলা সম্ভব হয়নি।
আজ থেকে এমইপি ছাড়া নতুন মূল্যের আওতায় ভারত থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হবে। এতে একদিকে ভারত থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি বাড়বে, অন্যদিকে দেশের বাজারে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম আরো কমে আসবে বলে মনে করছেন তিনি