ঊর্ধ্বমুখী হয়ে উঠেছে স্বর্ণের বাজার। গত বুধবার অগ্রিম চুক্তির বাজারে পণ্যটির দাম বেড়েছে।
এপ্রিলে সরবরাহের চুক্তিতে স্বর্ণের দাম বেড়েছে দশমিক ৩ শতাংশ। এদিন পণ্যটির দাম আউন্সপ্রতি ৩ দশমিক ৮০ ডলার বেড়ে ১ হাজার ৩৩৫ ডলারে লেনদেন হয়। মার্চে সরবরাহের চুক্তিতে রুপার দাম বেড়েছে ১ দশমিক ৫ শতাংশ। এদিন পণ্যটির দাম আউন্সপ্রতি ২৪ সেন্ট বেড়ে ১৬ দশমিক ৬৮ ডলারে লেনদেন হয়। গত মঙ্গলবার স্বর্ণের দাম ১ দশমিক ৯ শতাংশ কমেছিল, যা ২০১৬ সালের ১৪ ডিসেম্বরের পর থেকে সর্বোচ্চ দরপতনের রেকর্ড।
গত বুধবার প্রকাশিত ফেডের জানুয়ারির বৈঠকের কার্যবিবরণীতে জানা যায়, বেশ কয়েকজন কর্মকর্তা মূল্যস্ফীতি বাড়বে বলে প্রত্যাশা করছেন। কেউ কেউ অর্থনীতির প্রবৃদ্ধিকে অতিদ্রুত বলে মন্তব্য করেছেন। তবে এ কার্যবিবরণীতে চলতি বছর সুদহার তিনবারের চেয়ে বেশি বাড়ানোর ব্যাপারে কর্মকর্তাদের অভিমত সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি।
আইএইচএস মার্কিট জানিয়েছে, চলতি মাসে যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদন খাতসংশ্লিষ্ট সূচক ৫৫ দশমিক ৫ থেকে বেড়ে ৫৫ দশমিক ৯ পয়েন্টে উন্নীত হয়েছে। একই সঙ্গে সেবা খাতসংশ্লিষ্ট সূচক ৫৩ দশমিক ৩ থেকে বেড়ে ৫৫ দশমিক ৯ পয়েন্টে পৌঁছে গেছে। সাধারণত এসব সূচকের অবস্থান ৫৫ পয়েন্টের বেশি হলে তা ব্যতিক্রম বলে ধরা হয়।
আইসিইতে ডলার সূচক বেড়েছে দশমিক ১ শতাংশ। ফরেক্স ডটকমের বিশেষজ্ঞ ফাওয়াদ রাজাকজাদা বলেন, টানা চতুর্থ দিনের মতো ডলার সূচক বেড়েছে।
সাধারণত ডলারের বিনিময়মূল্য বাড়লে ভিন্ন মুদ্রা ব্যবহারকারীদের স্বর্ণ ব্যয়বহুল হয়ে ওঠে। এতে চাহিদা কমে পণ্যটির দামও কমে যায়। আবার ডলারের বিনিময়মূল্য কমলে স্বর্ণের মতো লভ্যাংশহীন পণ্যের চাহিদা বাড়ে।
ওয়ারউইক ভ্যালি ফিন্যান্সিয়াল অ্যাডভাইজরসের প্রেসিডেন্ট কেন ফোর্ড বলেন, ব্যবসায়ীরা স্বর্ণ কৌশলগত দাম ১ হাজার ৩৬৫ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে কিনা, তা লক্ষ্য রাখছেন।
