নিম্নমুখী ছিল সূচক



দেশের উভয় স্টক এক্সচেঞ্জে মূল্যসূচকের নিম্নমুখিতায় লেনদেন হয়েছে। তবে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস ছিল ঊর্ধ্বমুখী। দিনের শুরুতে কিছুটা সময় ঊর্ধ্বমুখী থাকলেও বাকি সময় নিম্নমুখী ছিল সূচক। এদিকে দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই লেনদেন বেড়েছে, দর বেড়েছে অধিকাংশ সিকিউরিটিজেরও।
বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স ডিএসইএক্স ৪ দশমিক ৪১ পয়েন্ট বা দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৬৯৪ দশমিক ২৮ পয়েন্টে। এদিকে ৮ দশমিক ৪৬ পয়েন্ট বা দশমিক ৪ শতাংশ কমে ২ হাজার ১১৯ দশমিক ৮৬ পয়েন্টে নেমেছে স্টক এক্সচেঞ্জটির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস ৩০। তবে ১ দশমিক শূন্য ৩ পয়েন্ট বা দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৩১৯ দশমিক ৭২ পয়েন্টে অবস্থান করছে শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস।
সারা দিনে ডিএসইতে ১৫ কোটি ৫৫ লাখ ৯২ হাজার ৮৩৩টি শেয়ার, করপোরেট বন্ড ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট হাতবদল হয়, যার বাজারদর ছিল ৫৩১ কোটি ৬৭ লাখ ৮২ হাজার টাকা। আগের কার্যদিবসে তা ৪৭৪ কোটি ১৭ লাখ ৫২ হাজার টাকা। লেনদেনকৃত সিকিউরিটিজের মধ্যে দিন শেষে দাম বেড়েছে ১৭৫টির, কমেছে ১২৫টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৩৬টির বাজারদর।
এদিকে দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্রড ইনডেক্স সিএসসিএক্স ১৫ দশমিক শূন্য ৫ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ৬২৪ দশমিক ৪২ পয়েন্টে নেমে যায়। আর ৯৫ দশমিক ২৪ পয়েন্ট কমে ১৫ হাজার ৮৬৬ দশমিক ১৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে স্টক এক্সচেঞ্জটির নির্বাচিত কোম্পানিগুলোর সূচক সিএসই ৩০। সিএসইতে কেনাবেচা হয়েছে ২২ কোটি ৫৯ লাখ ৩৫ হাজার ৪৭৯ টাকার সিকিউরিটিজ, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ২২ কোটি ৫৫ লাখ ৯০ হাজার ৫০৩ টাকা।