এমন এক পৃথিবী ছেড়ে কেই বা যেতে চায়? মাঝে মাঝে মনে হয়, আরেকটু যদি বাঁচতে পারতাম! কত কিছুই দেখা বাকি। কত কিছু করা বাকি। রূপকথার গল্প শুনে সেই পরশ পাথরের সন্ধান করেন অনেকে। বাস্তবে এমন কোনো পরশ পাথর না থাকলেও, হতাশায় পুড়তে হবে কাউকে। কেননা, বয়স ধরে রাখাও এখন সম্ভব। বিজ্ঞানের আবিষ্কারে এমন এক সংযোজন ঘটতে চলেছে অতি শীঘ্রই।
অস্ট্রেলিয়ার কুইন্সল্যান্ড প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাগারে একদল অস্ট্রেলীয় গবেষকের প্রচেষ্টায় খোঁজ মিলেছে বয়স কমানোর ঔষুধের। গত সোমবার (১৪ মে) গবেষণা দলের প্রধান বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. কেন ও ব্রায়েন নতুন এ আবিষ্কারের কথা জানিয়ে বলেন, ‘আমি এ আবিষ্কার দেখে ভীষণ শিহরিত হয়েছি। প্রাথমিক যে ফর্মুলাটি পেয়েছি এতে ৬০ বছর বয়সী দেহের কোষকে ৪০ বছর বয়সী করে ফেলা যাবে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যানসার ও বয়স গবেষণা কার্যক্রমের আওতায় বয়স বিরোধী বা বয়স ধরে রাখার ওষুধ আবিষ্কার করেছেন তারা। আবিষ্কৃত এ ওষুধের মাধ্যমে ডিএনএ-এর পরিবর্তন রোধ করা সম্ভব হবে বলে ধারণা গবেষকদের। এতে ক্যান্সার, হৃদরোগ, কোলেস্টেরল ও বাতের মতো ডিএনএ পরিবর্তনজনিত রোগও প্রতিরোধ করা যাবে।
নতুন এ ওষুধের ফলে বদলে যেতে পারে মানুষের বেঁচে থাকার ও মৃত্যুর ধরন। এমনটিই মনে করছেন অস্ট্রেলিয়ার গবেষকেরা। শিগগিরই এ ওষুধ তৈরি করা শুরু হবে। আগামী বছর নাগাদ ওষুধটি মানুষের ওপর পরীক্ষামূলকভাবে ব্যবহার করা হবে। তবে এর জন্য গবেষকদের প্রায় ৩২ কোটি ৫০ লাখ টাকার প্রয়োজন।
