সপ্তাহের দ্বিতীয় কার্যদিবসে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতায় ফিরেছে দেশের পুঁজিবাজার। দিন শেষে প্রায় ২৩ পয়েন্ট বেড়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স। অধিকাংশ সিকিউরিটিজের দরবৃদ্ধির পাশাপাশি কেনাবেচাও বেড়েছে শেয়ারবাজারে। তবে ডিএসইর ব্লু-চিপ সূচক ডিএসই৩০ ছিল নিম্নমুখী।
বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স ডিএসইএক্স ২২ দশমিক ৫৯ পয়েন্ট বা দশমিক ৪২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৪১৩ দশমিক ২৯ পয়েন্টে। তবে ১ দশমিক ৯২ পয়েন্ট বা দশমিক ১ শতাংশ কমে ২ হাজার ৭ দশমিক শূন্য ৯ পয়েন্টে নেমেছে স্টক এক্সচেঞ্জটির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস ৩০। এদিকে ২ দশমিক ৯৪ পয়েন্ট বা দশমিক ২৩ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ২৬৮ দশমিক ৩২ পয়েন্টে অবস্থান করছে শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস।
সারা দিনে ডিএসইতে ১৩ কোটি ৪৮ লাখ ৩ হাজার ২৫টি শেয়ার, করপোরেট বন্ড ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট হাতবদল হয়, যার বাজারদর ছিল ৫৬১ কোটি ৮০ লাখ ৯৮ হাজার টাকা। আগের কার্যদিবসে তা ছিল ৩৯৫ কোটি ৬৬ লাখ ৪৭ হাজার টাকা। লেনদেনকৃত সিকিউরিটিজের মধ্যে দিন শেষে দাম বেড়েছে ১৯৯টির, কমেছে ৯৪টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৪০টির বাজারদর।
এদিকে দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্রড ইনডেক্স সিএসসিএক্স ৩৩ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ৯৩ দশমিক ৪৪ পয়েন্টে উন্নীত হয়। আর ৪০ দশমিক ৪২ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ২১৭ দশমিক ৯১ পয়েন্টে অবস্থান করছে স্টক এক্সচেঞ্জটির নির্বাচিত কোম্পানিগুলোর সূচক সিএসই ৩০। সিএসইতে কেনাবেচা হয়েছে ২৯ কোটি ৭১ লাখ ৮১ হাজার ৫৯৭ টাকার সিকিউরিটিজ, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ১৬ কোটি ৮৪ লাখ ৫৯ হাজার ৭৯১ টাকা।
