সপ্তাহের শেষ কার্যদিবসে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা গেছে দেশের উভয় পুঁজিবাজারে। দিন শেষে প্রায় ৬৯ পয়েন্ট বেড়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স। দিনের শুরুতে কিছুটা মন্দা ভাব থাকলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে সূচক। অধিকাংশ সিকিউরিটিজের দরও বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে কেনাবেচা কমেছে দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই। দিন শেষে সব কটি সূচকই ছিল ঊর্ধ্বমুখী।
ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স ডিএসইএক্স ৬৮ দশমিক ৬ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ২৮ শতাংশ বেড়ে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৪২৯ দশমিক ৬৯ পয়েন্টে। ২৬ দশমিক ৪৬ পয়েন্ট বা ১ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেড়ে ২ হাজার ১৪ দশমিক ৮৮ পয়েন্টে উঠেছে স্টক এক্সচেঞ্জটির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস ৩০। এদিকে ৮ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট বা দশমিক ৬৮ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ২৫৯ দশমিক ৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস।
সারা দিনে ডিএসইতে ১১ কোটি ৬৪ লাখ ৯৬ হাজার ৭৬৯টি শেয়ার, করপোরেট বন্ড ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট হাতবদল হয়, যার বাজারদর ছিল ৪৭৩ কোটি ৪৪ লাখ ৪১ হাজার টাকা। আগের কার্যদিবসে তা ছিল ৪৮৮ কোটি ৬০ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। লেনদেনকৃত সিকিউরিটিজের মধ্যে দিন শেষে দাম বেড়েছে ২০৮টির, কমেছে ৮৪টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৪১টির বাজারদর।
এদিকে দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্রড ইনডেক্স সিএসসিএক্স ৮৬ দশমিক ১৬ পয়েন্ট বেড়ে ১০ হাজার ১৩২ দশমিক ১৮ পয়েন্টে উন্নীত হয়। আর ৮৬ দশমিক ১৭ পয়েন্ট বেড়ে ১৫ হাজার ১৭০ দশমিক ৭৭ পয়েন্টে অবস্থান করছে স্টক এক্সচেঞ্জটির নির্বাচিত কোম্পানিগুলোর সূচক সিএসই ৩০। সিএসইতে কেনাবেচা হয়েছে ১৮ কোটি ২৬ লাখ ৩৫ হাজার ২০২ টাকার সিকিউরিটিজ, যা এর আগের কার্যদিবসে ছিল ১৮ কোটি ৫৪ লাখ ৯৯ হাজার ৮৩৮ টাকা।
