নেতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন



নেতিবাচক প্রবণতায় লেনদেন শেষ হয়েছে দেশের উভয় পুঁজিবাজারে। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) ব্রড ইনডেক্স ডিএসইএক্স ২৬ পয়েন্টেরও বেশি কমেছে। অধিকাংশ সিকিউরিটিজের দর কমেছে দুই স্টক এক্সচেঞ্জেই। দিন শেষে সব কটি সূচকই ছিল নিম্নমুখী। তবে ডিএসইতে লেনদেন বেড়েছে।
বাজার পর্যবেক্ষণে দেখা যায়, ডিএসইর ব্রড ইনডেক্স ডিএসইএক্স ২৬ দশমিক ৯১ পয়েন্ট বা দশমিক ৫ শতাংশ কমে দাঁড়ায় ৫ হাজার ৩১৬ দশমিক ৯৭ পয়েন্টে। ৯ দশমিক ৫৪ পয়েন্ট বা দশমিক ৪৮ শতাংশ কমে ১ হাজার ৯৬৫ দশমিক ৪৬ পয়েন্টে নেমেছে স্টক এক্সচেঞ্জটির ব্লু-চিপ সূচক ডিএস ৩০। এদিকে ১০ দশমিক ১৩ পয়েন্ট বা দশমিক ৮২ শতাংশ কমে ১ হাজার ২২৮ দশমিক ১৮ পয়েন্টে অবস্থান করছে শরিয়াহ সূচক ডিএসইএস।
সারা দিনে ডিএসইতে ৯ কোটি ৪৭ লাখ ৪৩ হাজার ৩৮৮টি শেয়ার, করপোরেট বন্ড ও মিউচুয়াল ফান্ড ইউনিট হাতবদল হয়, যার বাজারদর ছিল ৪২৫ কোটি ৪৯ লাখ ৮৯ হাজার টাকা। আগের কার্যদিবসে তা ছিল ৩৬১ কোটি ৮৮ লাখ ৫৯ হাজার টাকা। লেনদেনকৃত সিকিউরিটিজের মধ্যে দিন শেষে দাম বেড়েছে ১১৫টির, কমেছে ১৮২টির ও অপরিবর্তিত ছিল ৪০টির বাজারদর।
এদিকে দেশের আরেক শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) ব্রড ইনডেক্স সিএসসিএক্স ৪৩ দশমিক ৮৭ পয়েন্ট কমে ৯ হাজার ৯৩২ দশমিক ৮৩ পয়েন্টে নেমে যায়। আর ৭১ দশমিক ১৭ পয়েন্ট কমে ১৪ হাজার ৮৬৯ দশমিক ৩১ পয়েন্টে অবস্থান করছে স্টক এক্সচেঞ্জটির নির্বাচিত কোম্পানিগুলোর সূচক সিএসই ৩০।