আজ বৃহস্পতিবার ২০১৮-১৯ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পেশ করেছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। প্রস্তাবিত বাজেট অনুসারে বেশ কিছু পণ্যের দাম বাড়তে পারে।
সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন; প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ৪ লাখ ৬৪,৫৭৩ কোটি টাকা; বাজেট ঘাটতি ১ লাখ ২৫,২৯৩ কোটি টাকা; জিডিপির আকার ২৫ লাখ ৩৭,৮৪৯ কোটি টাকা;
রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৩৯,২৮০ কোটি টাকা; রাজস্ব আদায়ে এনবিআর-এর লক্ষ্যমাত্রা ২ লাখ ৯৬,২০১ কোটি টাকা; করখাত থেকে আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৩ লাখ ৫,৯২৮ কোটি টাকা; রাজস্ব বোর্ড বহির্ভূত কর আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ৯,৭২৭ কোটি টাকা; ব্যক্তিশ্রেণির করমুক্ত আয়সীমা ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা
প্রস্তাবিত বাজেটে পরিবহন ও যোগাযোগ খাতে বরাদ্দ ৫৬,৪৭৫ কোটি টাকা;
জনপ্রশাসন খাতে বরাদ্দ ১ লাখ ৩৬,৮৮৭ কোটি টাকা; এডিপিতে বরাদ্দ ১ লাখ ৭৩ হাজার কোটি টাকা; শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে বরাদ্দ ৬৭,৯৪৪ কোটি টাকা; স্থানীয় সরকার খাতে বরাদ্দ ৩২,৬৭০ কোটি টাকা
প্রস্তাবিত বাজেটে প্রতিরক্ষা খাতে বরাদ্দ ২৯,১০১ কোটি টাকা; সামাজিক নিরাপত্তা ও কল্যাণ খাতে বরাদ্দ ২৭,৫২৫ কোটি টাকা; জনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ ২৬,৬২৯ কোটি টাকা; কৃষিখাতে বরাদ্দ ২৬,২৫৯ কোটি টাকা; বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে বরাদ্দ ২৪,৯২০ কোটি টাকা; স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ ১২,৬৯৫ কোটি টাকা
প্রস্তাবিত বাজেটে চাল আমদানিতে সর্বোচ্চ ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের প্রস্তাব; ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতে খরচ কমানোর প্রস্তাব; ভ্যাট হার ৯ স্তর থেকে কমিয়ে ৫ স্তরে করার প্রস্তাব; অনলাইনভিত্তিক পণ্য কেনাবেচায় ভ্যাট সাড়ে ৪ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব
প্রস্তাবিত বাজেটে ব্যাংকিং খাতে করপোরেট কর ৪০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৩৭.৫ শতাংশ করার প্রস্তাব; এলটিইউ’তে অনলাইনে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল পরীক্ষামূলকভাবে চালুর প্রস্তাব
প্রস্তাবিত বাজেটে ১৬শ’ বর্গফুট পর্যন্ত ফ্ল্যাটে ২ শতাংশ এবং ১৬শ’ বর্গফুটের বেশি আয়তনের ফ্ল্যাটে সাড়ে ৪ শতাংশ ভ্যাটের প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে কৃষি জমিসহ সব ধরনের ভূমি রেজিস্ট্রেশনের ওপর ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাবও রাখা হয়েছে।
প্রস্তাবিত বাজেটে দেশীয় হ্যান্ডসেটে ২ শতাংশ সারচার্জ অব্যাহতি ও আমদানিতে ২ শতাংশ কর আরোপের প্রস্তাব; শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নিজস্ব উদ্যোগে স্কুলবাস সার্ভিস চালু করতে চাইলে বাস আমদানিতে বিশেষ শুল্ক সুবিধার প্রস্তাব
এবারের বাজেটের ফলে যেসব পণ্য ও সেবার দাম কমতে পারে : শিশুখাদ্য, হাইব্রিড গাড়ি, দেশীয় মোটরসাইকেল ও ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী, রাবার বা রাবার জাতীয় স্যান্ডেল, হাতে তৈরি রুটি, বিস্কুট, কেক, এনার্জি সেভিং
এবারের বাজেটের ফলে যেসব পণ্য ও সেবার দাম বাড়তে পারে : প্রযুক্তি নির্ভর সেবা, পলিথিন ও প্লাস্টিক ব্যাগ, সিগারেট ও তামাকজাত পণ্য, গ্রিন টি, শেভিং ব্লেড, শেভিং জেল, চশমার ফ্রেম, সানগ্লাস, চুলের ক্রিম, সানস্ক্রিন, সিরামিক বাথটাব, নারিকেল, কাজুবাদাম, ক্যালেন্ডার, পোস্টার, জার্সি, শীতের হালকা পোশাক, কাশ্মীরি শাল ও বিভিন্ন ধরনের পেপার।
