২৬ বছর বয়সটা কিন্তু বিয়ের জন্য কম না। আর যদি আপনার পেশা আন্তর্জাতিক মানের ফুটবল তারকা তাহলে কিন্তু বয়সটা বিয়ের জন্য বেশিই বলা যায়।
আন্তর্জাতিক ফুটবল তারকাদের অনেকেরই এ বয়সে দু–তিনটি বাচ্চা থাকে। অনেকেই বিয়ে করেন, অনেকেই সঙ্গিনীর সঙ্গে একসঙ্গে থেকেই সন্তুষ্ট থাকেন। তাদের প্রণয়, পরিণয় আর বিচ্ছেদের গল্পে সরগরম থাকে খেলার পাতা।
দক্ষিণ কোরিয়ার ফরোয়ার্ড সন হিয়ুং-মিনের বন্ধুবান্ধব সব বিয়ে–থা করে ফেলছেন। এমন অবস্থায় তারও বিয়ের কথা ভাবাটাই স্বাভাবিক। বিশেষ করে এশিয়ার যেকোনো যুবক-যুবতীর ক্ষেত্রে বিবাহযোগ্য পাত্র–পাত্রীর চেয়ে তাঁদের বাবা–মায়ের আগ্রহটাই বেশি থাকে।
তবে ক্ষেত্রে উল্টোটাই ঘটছে সনের ক্ষেত্রে। দক্ষিণ কোরিয়ার ফরোয়ার্ডএর বিয়েতে বাধ সাধছেন তার বাবা।
দক্ষিণ কোরিয়ার সেরা তারকা বর্তমানে খেলেন টটেনহাম হটস্পারে। খেলা বোঝার ক্ষমতা ও ম্যাচের গতি পাল্টে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কদিন আগে লিওনেল মেসির সঙ্গে সনের তুলনা করেছিলেন কোচ মরিসিও পচেত্তিনো।
নিজের ক্লাবের খেলোয়াড়ের প্রতি কোচের পক্ষপাতিত্ব থাকতেই পারে, তবে এই ফরোয়ার্ডের দক্ষতা ও নিবেদন নিয়ে প্রশ্ন তুলবেন না কেউই।
এই সনই দলকে কদিন আগেই এশিয়ান গেমসে সোনা এনে দিয়েছেন। এ অর্জন দিয়েই রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব সামরিক বাহিনীতে আবশ্যিক দুই বছরের দায়িত্ব পালন থেকেও মুক্তি মিলেছে। ক্লাব ক্যারিয়ারে ট্রফি ক্যাবিনেটে কিছু যোগ করতে না পারলেও সময় আছে এখনো। মাত্র ২৬ বছর বয়স সনের। ক্যারিয়ারের সেরা মুহূর্ত যে এখনো বাকি। আর এজন্যই তার বিয়েতে বাধা দিচ্ছেন বাবা।
সন বলেছেন ‘যখন বিয়ে করবেন, সবার আগে গুরুত্ব পাবে আপনার পরিবার। অর্থাৎ স্ত্রী, সন্তান এবং তারপর ফুটবল। আমি নিশ্চিত করতে চাই, যখন আমি শীর্ষ পর্যায়ের ফুটবল খেলব, তখন ফুটবলই আমার কাছে যেন এক নম্বর থাকে। আপনি জানেন না কত দিন শীর্ষ পর্যায়ে ফুটবল খেলতে পারবেন। যখন অবসর নেব, তখন ৩৩ বা ৩৪ বছর বয়স হবে, পরিবারের সঙ্গে কাটানোর জন্য যথেষ্ট সময় পাওয়া যাবে।’
লক্ষ্মী ছেলে সনও বাবার কথাই মেনে নিয়েছেন। কারণ? ফুটবলই তার প্রথম ভালোবাসা। আর ক্যারিয়ার লম্বা করাটাই মূল লক্ষ্য।

