ফেনীর সোনাগাজীর মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনায় অবৈধ অর্থ লেনদেনে বেশ কয়েকজনের সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে সিআইডি।
আজ শনিবার সকালে রাজধানীর সিআইডি কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানানো হয়।
এ বিষয়ে সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্লা নজরুল ইসলাম বলেন, নুসরাত হত্যাকাণ্ডে অনেকে টাকা ইনভেস্ট করেছেন। কেউ কেরোসিন কিনে দিয়েছেন। কেউ রোরকা কিনে দিয়েছেন। আবার কেই এই ঘটনাকে ভিন্নখাতে নেওয়ার জন্য টাকা পয়সা ইনভেস্ট করেছেন। সুতরাং সিআইডি যেহেতু মানি লন্ডারিং দেখে থাকে। সেখানে অবৈধ টাকার লেনদেন হয়েছে কিনা সেটা আমরা খতিয়ে দেখি।
তিনি আরো বলেন, এ ঘটনায় যারাই জড়িত থাকুক কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। এক্ষেত্রে তদন্ত শেষে মানি লন্ডারিং আইনে মামলা হবে।
উল্লেখ্য, ৬ এপ্রিল আলিম পরীক্ষার্থী রাফিকে সোনাগাজী ইসলামিয়া মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ১০ এপ্রিল তাঁর মৃত্যু হয়।
এই ঘটনায় করা মামলার তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্তকারী সংস্থা বলেছে, দুটি কারণে নুসরাতকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এক. শ্লীলতাহানির মামলা করে অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করিয়ে নুসরাত আলেম সমাজকে ‘হেয়’ করেছেন। দুই. আসামি শাহাদাত নুসরাতকে বারবার প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু নুসরাত তা গ্রহণ না করায় শাহাদাতও হত্যার পরিকল্পনা করেন।

