নুসরাত হত্যাকে আত্মহত্যা বলে চালানোর ‘নির্দেশ ছিল অধ্যক্ষের’


paperslife

ফেনীর সোনাগাজীতে মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত জাহান রাফিকে পুড়িয়ে হত্যা করে পরে আত্মহত্যা বলে চালিয়ে দেয়ার পরিকল্পনা ছিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এস এম সিরাজ-উদ-দৌলার।

আজ রোববার বিকাল সাড়ে ৩টা থেকে পাঁচ ঘণ্টা ফেনীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম জাকির হোসেনের আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেন সিরাজ।

এ বিষয়ে মামলার তদন্ত সংস্থা পিবিআইয়ের বিশেষ পুলিশ সুপার মো. ইকবাল বলেন, “অধ্যক্ষ সিরাজ স্বীকার করেছেন, কারাগারে নূরউদ্দিন ও শামীম দেখা করতে গেলে তিনি তাদের নির্দেশ দেন- তারা যেন নুসরাতকে তার মায়ের করা মামলা তুলে নিতে বলে, সে তাতে রাজি না হলে তাকে আগুনে পুড়িয়ে যেন আত্মহত্যা বলে চালানোর চেষ্টা করা হয়।”

উল্লেখ্য, ৬ এপ্রিল আলিম পরীক্ষার্থী রাফিকে সোনাগাজী ইসলামিয়া মাদ্রাসা ক্যাম্পাসে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। ১০ এপ্রিল তাঁর মৃত্যু হয়।

এই ঘটনায় করা মামলার তদন্ত করছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্তকারী সংস্থা বলেছে, দুটি কারণে নুসরাতকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এক. শ্লীলতাহানির মামলা করে অধ্যক্ষকে গ্রেপ্তার করিয়ে নুসরাত আলেম সমাজকে ‘হেয়’ করেছেন। দুই. আসামি শাহাদাত নুসরাতকে বারবার প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছেন। কিন্তু নুসরাত তা গ্রহণ না করায় শাহাদাতও হত্যার পরিকল্পনা করেন।