ঈদের দিন সড়কে ঝরলো ২১ প্রাণ


৫ জেলায় সড়কে ১১ প্রাণ

দেশের বিভিন্ন জেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের দিনেই সড়ক দুর্ঘটনায় সারাদেশে ২১ জনের নিহত হয়েছেন। ঈদের দিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত এসব দুর্ঘটনা ঘটে। আহত প্রায় অর্ধশত।

এর মধ্যে ফরিদপুরে ছয়জন, লালমনিরহাটে চারজন, সিরাজগঞ্জে তিনজন, ঝিনাইদহে দুইজন, টাঙ্গাইলে দুইজন, পিরোজপুরে দুইজন, আশুলিয়ায় একজন ও গাজীপুরে একজন নিহত হন।

ঢাকা থেকে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের নিয়ে চুয়াডাঙ্গা যাওয়ার পথে ফরিদপুর সদর উপজেলায় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে গাছে ধাক্কা দিলে ছয়জন নিহত হন। এই ঘটনায় আহত হন অন্তত ১৫ জন। বুধবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে ধুলদী রেলগেট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ঈদের দিন সকালে লালমনিরহাটে পিকআপ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে চারজন নিহত হন। এ দুর্ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ২০ জন। সদর উপজেলার বড়বাড়ি বাজারে কুড়িগ্রাম-রংপুর মহাসড়কে বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

অন্যদিকে ঝিনাইদহের মহেশপুরে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাছের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে দুই আরোহী নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও একজন। বুধবার সকাল ৯টার দিকে উপজেলার খর্দ খালিশপুরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে পৃথক দুর্ঘটনায় তিনজন নিহত হন। বুধবার ভোরে এ দুটি দুর্ঘটনা ঘটে। বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুপুরে তাদের মৃত্যু হয়।

অপর দুর্ঘটনাটি ঘটে একই মহাসড়কের তবারীপাড়া এলাকায়। ডিপজল পরিবহনের একটি বাস ও একটি ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে পাঁচজন আহত হন।

ঢাকার আশুলিয়ায় ট্রাকের সঙ্গে অটোরিকশার সংঘর্ষে পুলিশের এক কনস্টেবল নিহত হন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও চার পুলিশ। বুধবার সকালে আশুলিয়ার গণকবাড়ি এলাকায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে হতাহতের এ ঘটনা ঘটে।

পিরোজপুর-বাগেরহাট সড়কের বলেশ্বির ব্রিজ সংলগ্ন মহেষপুরা এলাকায় দুই মোটরসাইকেল সংঘর্ষে দুই জন নিহত হয়েছেন; আহত হয়েছেন ওই মোটরসাইকেলের আরেক আরোহী। বুধবার রাত ৮টায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বুধবার বেলা ৩টার দিকে গাজীপুরের মাওনা-গফরগাঁও আঞ্চলিক মহাসড়কের দুলর্ভপুরে চার মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে এক যুবক নিহত হয়েছেন; আহত হয়েছেন মোটরসাইকেলের সাত আরোহী।

এছাড়া বুধবার দুপুরে ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কে পিকআপ ভ্যান ও বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছে আরও অন্তত পাঁচজন।