পঙ্গপালের হামলা সামলাতে হিমসিম খাচ্ছে পাকিস্তান। দেশীয় সেপাইরাও পেরে উঠছে না কিছুতেই। তাই সাহায্যের জন্য চীনের কাছে আর্জি জানিয়েছিল পাকিস্তান।
বিমুখ করেনি মিত্র দেশটি। প্রায় এক লাখ বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত হাঁস পাকিস্তানে পাঠানোর তোড়জোড় করছে বেইজিং। সিন্ধু, বালুচিস্তানের মতো সব থেকে ক্ষতিগ্রস্ত প্রদেশগুলোর অবস্থা পরিদর্শনে ইতিমধ্যেই পৌঁছে গেছেন চীনা বিশেষজ্ঞরা।
জানা যায়, পাকিস্তান অধীকৃত কাশ্মীর লাগোয়া জিনঝিয়াং প্রদেশে ইতিমধ্যে এক লাখ হাঁস মজুদ করা হয়েছে। এদেরই প্রশিক্ষণ দিয়ে পাকিস্তানে পাঠানোর তোড়জোড় চলছে। চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে পরীক্ষামূলকভাবে কাজটি শুরু হবে জিনঝিয়াং প্রদেশে।
হিসাব করে দেখা গেছে, কোনো পঙ্গপাল-পরিবারকে খেয়ে উড়িয়ে দিতে একটি হাঁসই যথেষ্ট। লু’র মতে, ‘মুরগি যেখানে দিনে ৭০টি পঙ্গপাল খেতে পারে, সেখানে হাঁস খেতে পারে ২০০-এর কাছাকাছি। অর্থাৎ যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে হংস বাহিনী প্রায় তিনগুণ বেশি শক্তিশালী।
ঝেজিয়াং একাডেমি অব অ্যাগ্রিকালচারাল সায়েন্সেসের গবেষক লু লিঝির কথায়, ‘হাঁস দলবদ্ধভাবে থাকতে ভালোবাসে। তা বাদে মুরগির থেকে ওদের নিয়ন্ত্রণ করা অনেক সহজ। ওদের জীবনীশক্তি, খাবার সন্ধানের ক্ষমতা এবং প্রবল শীতের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার শক্তি—সবটাই বেশি। ফলে বন্য পরিবেশে সহজে মানিয়ে নিতে পারে।’
সূত্র : এই সময়।

