চিত্রনায়িকা শাবনূর তালাক দিয়েছেন স্বামিকে। দীর্ঘ সাত বছরের সম্পর্কের ইতি টেনেছেন। দুজনের বনিবনা না হওয়ার কারণেই বিচ্ছেদের পথে হেটেছেন তিনি। গেল মাসের শেষের দিকে স্বামী অনিক মাহমুদ হৃদয়কে উকিলের মাধ্যমে তালাকনামা পাঠান শাবনূর।
এরই মাঝে জানা গেল চাঞ্চল্যকর এক তথ্য। শাবনূরকে না জানিয়ে গোপনে অন্য সম্পর্ক গড়ে তোলেন অনিক। শাবনূরের সঙ্গে সংসার চলাকালীন সময়েই প্রায় চার বছর আগে শাবনূরের স্বামী অনিক আরও একটি বিয়ে করেছেন।
তার দ্বিতীয় স্ত্রীর নাম আয়েশা। এই বিষয়টি শাবনূরকে ডিভোর্সের সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য করেছে বলে দাবি করছেন এ নায়িকার ঘনিষ্ঠজনরা।
জানা যায়, ২০১৩ সালে শাবনূরের ছেলে সন্তান জন্মানোর পর থেকেই স্বামীর সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয় অনিকের। তখন থেকেই তারা দুজন থাকেন।
পড়ুন : যে কারণে ঘর ভাঙলো শাবনূরের
ডিভোর্স ও দ্বিতীয় বিয়ের ব্যাপারে জানতে শাবনূরের স্বামী অনিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার কোন সাড়া পাওয়া যায়নি।
২০১১ সালের ৬ ডিসেম্বর অনিক মাহমুদ হৃদয়ের সঙ্গে শাবনূরের আংটি বদল হলেও তারা বিয়ে করেন ২০১২ সালের ২৮ ডিসেম্বরে। সেই সংসারে ২০১৩ সালের ২৯ ডিসেম্বর আইজান নিহান নামে এক পুত্রসন্তানের জন্ম হয়।
উল্লেখ্য, স্বামীর সঙ্গে বনিবনা না হওয়ায় গত ২৬ জানুয়ারি অনিককে তালাক দিয়েছেন শাবনূর। নায়িকার সই করা নোটিশটি এডভোকেট কাওসার আহমেদের মাধ্যমে গত ৪ ফেব্রুয়ারি অনিকের উত্তরা এবং গাজীপুরের বাসার ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে।

