করোনাভাইরাসের কারণে এর আগে থার্মাল স্ক্যানার বসানোর কথা জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তাদের দেয়া এই প্রতিশ্রুতিতে দেশের তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, সমুদ্রবন্দর ও স্থলবন্দরে থার্মাল স্ক্যানার বসানোর কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত বেনাপোল স্থলবন্দর ছাড়া তিনটি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জন্য নতুন কোনো থার্মাল স্ক্যানার আসেনি।
তবে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভিআইপি যাত্রীদের জন্য বসানো স্ক্যানারটি সচল আছে। বর্তমানে বিদেশফেরত সাধারণ যাত্রীদের হ্যান্ডহেল্ড থার্মোমিটার দিয়ে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হচ্ছে।
এছাড়াও, শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সাধারণ যাত্রীদের জন্য ব্যবহৃত একটি স্ক্যানার গতকাল সোমবার রাতে নষ্ট হয়ে গেছে বলে জানা গেছে।
নতুন থার্মাল স্ক্যানারের বিষয়ে জানতে চাইলে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান আজ মঙ্গলবার সকালে বলেন, শাহজালাল বিমানবন্দরে তিনটি থার্মাল স্ক্যানার রয়েছে। এর মধ্যে দুটি নষ্ট। নতুন থার্মাল স্ক্যানার বসানোর কথা বলা হলেও আমরা সেগুলো পাইনি। তা ছাড়া সিলেট ও চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের থার্মাল স্ক্যানারগুলো আগে থেকেই নষ্ট হয়ে আছে। বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘বিমানবন্দরে বিদেশফেরত যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য জনবল সংকট রয়েছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রে লোক কম থাকায় আমরা সিভিল এভিয়েশনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তাকর্মী দিয়ে তাদের সহায়তা করছি। কারণ, একসঙ্গে একাধিক ফ্লাইট এলে দীর্ঘ লাইন পড়ে। সার্বিক সব বিষয় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরকে জানানো হয়েছে।
এ বিষয়ে সোমবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবুল কালাম আজাদ আইইডিসিআরের কার্যালয়ে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে পর করোনাভাইরাস প্রতিরোধের অংশ হিসেবে পাঁচটি নতুন থার্মাল স্ক্যানারের মধ্যে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর, চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও সিলেটের ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে একটি করে এবং চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর ও বেনাপোল স্থলবন্দরে একটি করে থার্মাল স্ক্যানার বসানো হবে বলে সাংবাদিকদের জানান।
আরও জানা যায়, বেনাপোল স্থলবন্দরে বসানোর জন্য থার্মাল স্ক্যানারটি গতকাল রাতে বেনাপোল বন্দরে পৌঁছেছে।। তবে কখন থেকে নতুন স্ক্যানার দিয়ে যাত্রীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা শুরু হবে, সে ব্যাপারে কিছু জানা যায়নি।

