অবশেষে গোপালগঞ্জে শিক্ষা সফরে গিয়ে আকস্মিক এক দুর্ঘটনায় হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া রাজধানীর উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষিকা সৈয়দা ফাহিমা বেগমের হাতটি জোড়া লাগানো হয়েছে।
গতকাল মঙ্গলবার সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ওই শিক্ষিকাকে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে ভর্তি করা হয়। এরপর চিকিৎসকদের আপ্রাণ চেষ্টায় তার এই হাতটি পুনঃসংস্থাপন করা হয়েছে। তার শারীরিক এখন কিছুটা ভালো বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।
তবে চিকিৎসকগণ জানিয়েছেন যে, তার হাতটি দিয়ে আগের মতোই কাজ করতে পারবে কি না ৭২ ঘণ্টার আগে সে সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারছেন না তারা।
এ বিষয়ে শেখ হাসিনা বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটের সমন্বয়ক ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, বর্তমানে ওই শিক্ষিকা অবজারভেশনে রয়েছেন। অবস্থা কিছুটা ভালো হলেও ৭২ ঘণ্টা না গেলে কোনো কিছুই নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।
ঢাকা মেডিকেল কলেজের বার্ন ইউনিট সূত্রে জানা যায়, শিক্ষিকার কনুইয়ের ওপর থেকে হাত গুঁড়ো হয়ে গেছে। চিকিৎসকরা হাতটি সংযুক্ত করেছেন ঠিকই, তবে হাতটি সচল হবে কিনা, তা নির্ভর করছে বাধাহীন রক্ত সঞ্চালনের ওপর।
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার শিক্ষা সফরে যাওয়ার সময় গোপালগঞ্জে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাকের পেছনে ধাক্কা দেয়ায় বাসটিতে থাকা ওই শিক্ষিকার হাত বিচ্ছিন্ন হয় এবং আরও ১৫ শিক্ষার্থী আহত হয়। চিকিৎসকরা জানান আহত ১৫ শিক্ষার্থী শঙ্কামুক্ত আছে।

