দেশে চলা করোনা সংক্রমণে এন-৯৫ লেখা মাস্কের মান নিয়ে প্রশ্ন তোলা রাজধানীর ৫০০ শয্য বিশিষ্ট মুগদা জেনারেল হাসপাতালের পরিচালক শহিদ মো. সাদিকুল ইসলামকে বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওএসডি) করা হয়েছে।
সাদিকুল ইসলাম সম্প্রতি করোনা চিকিৎসার জন্য কেন্দ্রীয় ঔষধাগার থেকে দেওয়া মাস্কের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। এসময় তিনি এ বিষয়ে মতামত চেয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর চিঠিও দিয়েছিলেন।
জানা গেছে, গত ১ এপ্রিল শহিদ মো. সাদিকুল ইসলাম স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এ বিষয়ে একটি চিঠি দিয়েছেন। তাতে বলা হয়, হাসপাতালের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে গত ৩০ মার্চ কেন্দ্রীয় ঔষধাগার অন্যান্য মালামালের সঙ্গে ৩০০টি এন–৯৫ মাস্ক সরবরাহ করেছে।
মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান এই মাস্কের প্রস্তুতকারী। এই মাস্কগুলো প্রকৃতপক্ষে ‘এন–৯৫’ কি না, সে বিষয়ে হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ও স্থানীয় সাংসদ সাবের হোসেন চৌধুরী টেলিফোনে হাসপাতালের পরিচালকের কাছে জানতে চেয়েছেন। চিঠিতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় মতামত দেওয়ার অনুরোধ করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বুধবার সাদিকুল ইসলামকে ওএসডি করে আদেশ জারি করা হয়। এ সংক্রান্ত চিঠি সাদিকুল ইসলাম হাতে পেয়েছেন। তবে এ সংক্রান্ত আদেশে ওএসডি করার কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি তিনি।
করোনায় আক্রান্ত বা সন্দেহভাজন রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য বিশেষ সুরক্ষাসামগ্রী দিচ্ছে সরকার।
এর মধ্যে মাস্কও আছে। রাজধানীর মুগদা জেনারেল হাসপাতালে ‘এন–৯৫’ মাস্কের নামে যেসব মাস্ক দেওয়া হয়েছে, সেগুলোর মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সেসময় এন-৯৫ মাস্ক লেখা মোড়কে দেওয়া হয়েছিল মুন্সিগঞ্জের তৈরি করা মাস্ক।

