শ্বাসকষ্টে ভুগতে থাকা এক চিকিৎসককে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) নেওয়া হয়েছে। তিনি চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের কনসালটেন্ট। কয়েকদিন আগে শ্বাসকষ্টসহ শারীরিক অন্যান্য জটিলতা নিয়ে চমেক হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। গতকাল শুক্রবার তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী জানান, ইতিমধ্যে ওই চিকিৎসকের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তবে সিটি স্ক্যানে তার শরীরে করোনার কিছু লক্ষণ দেখা গেছে। ওই চিকিৎসকের আগে থেকেই ডায়াবেটিস রয়েছে। শুক্রবার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় তাকে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়। আবারও তার নমুনা পরীক্ষা করা হবে।
চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত ১৪ জন চিকিৎসক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার চমেক হাসপাতালের ৩৬ বছর বয়সী এক গাইনী বিশেষজ্ঞ ও ২৭ বছর বয়সী এক নারী চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হন।
শ্বাসকষ্টে ভুগতে থাকা এক চিকিৎসককে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) নেয়া হয়েছে।
তিনি চট্টগ্রামের একটি হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের কনসালটেন্ট। কয়েকদিন আগে শ্বাসকষ্টসহ শারীরিক অন্যান্য জটিলতা নিয়ে চমেক হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। গতকাল শুক্রবার তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়।
বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক ডা. ফয়সল ইকবাল চৌধুরী জানান, ইতিমধ্যে ওই চিকিৎসকের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তবে সিটি স্ক্যানে তার শরীরে করোনার কিছু লক্ষণ দেখা গেছে। ওই চিকিৎসকের আগে থেকেই ডায়াবেটিস রয়েছে। শুক্রবার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যাওয়ায় তাকে চমেক হাসপাতালের আইসিইউতে নেয়া হয়। আবারও তার নমুনা পরীক্ষা করা হবে।
চট্টগ্রামে এ পর্যন্ত ১৪ জন চিকিৎসক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার চমেক হাসপাতালের ৩৬ বছর বয়সী এক গাইনী বিশেষজ্ঞ ও ২৭ বছর বয়সী এক নারী চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হন।

