করোনায় যুক্ত হল আরেকটি নতুন উপসর্গ


corona taste#paperslife

করোনাভাইরাসের প্রধান চারটি উপসর্গ ছাড়াও যোগ হলো আরো কয়েকটি উপসর্গ। এর মধ্যে অন্যতম একটি উপসর্গ হলো, কোনো কিছুর গন্ধ না পাওয়া। এই উপসর্গটিকে করোনার উপসর্গ হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে চিহ্নিত করলো যুক্তরাজ্য।

এ ব্যাপারে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, করোনার উপসর্গ হিসেবে ঘ্রাণশক্তি হারানো ও মুখে স্বাদ চলে যাওয়া এ দুটি লক্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করার ব্যাপারে তারা এখন যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী। এমন লক্ষণ দেখা দিলে তাদের আইসোলেশনে থাকার পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

বর্তমানে জ্বর, শুকনো কাশি দেখা দিলেই মানুষ সাধারণত স্বেচ্ছা আইসোলেশনে যাচ্ছেন। কারণ তাদের মাধ্যমে করোনাভাইরাস অন্য কারো শরীরে ছড়িয়ে না পড়ে। তবে কয়েক সপ্তাহ ধরেই নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা সতর্ক করে আসছিলেন, করোনার উপসর্গের তালিকায় আরো কয়েকটি বিষয় যুক্ত করা জরুরি হয়ে পড়েছে।

এখন বলা হচ্ছে, হঠাৎ করে অনবরত কাশ, জ্বর অথবা ঘ্রাণশক্তি হারানো অথবা কোনো কিছুর স্বাদ না পাওয়া এর কোনো একটি লক্ষণ দেখা দিলেই কমপক্ষে সাত দিন আইসোলেশনে থাকতে হবে। কারণ তার মাধ্যমে করোনাভাইরাস অন্য ব্যক্তির মধ্যে ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

করোনাভাইরাস সংক্রমণ হলে কাশি এবং ঘ্রাণশক্তি লোপ পাওয়া ও স্বাদ না পাওয়ার সমস্যা সাত দিনের বেশি স্থায়ী হতে পারে। তবে সাত দিনের বেশি আর আইসোলেশনে থাকার দরকার নেই। তবে শরীরের তাপমাত্রা খুব বেশি থাকলে অথবা অসুস্থ বোধ করলে আইসোলেশন দীর্ঘায়িত করতে হতে পারে।

অবশ্য ঘ্রাণশক্তি হারানো এবং স্বাদ চলে যাওয়ার মতো লক্ষণ অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণের কারণেও দেখা দিতে পারে। এমনকি সাধারণ সর্দি-জ্বরেও হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বুঝতে জ্বর এবং কাশিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।

ইংল্যান্ডে উপপ্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা প্রফেসর জোনাথন ভন তান বলেছেন, যখনই আমরা বুঝবো পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটছে তখন স্বাস্থ্য পরামর্শ হালনাগাদ করা জরুরি।

সূত্র: বিবিসি