সুপার সাইক্লোন আম্পানের আঘাতে মোংলার পশুর নদীতে একটি ট্যুরিস্ট লঞ্চ ডুবে গেছে। সেইসাথে প্লাবিত হয়েছে চিংড়ি ঘেরসহ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠা, কাঁচা ঘরবাড়ি ও গাছপালা। তবে ওই এলাকায় এখন পর্যন্ত কোন হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে আজ বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল থেকে এই এলাকায় ঝড়ো হাওয়া এবং গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি দেখা গেছে। ১০ নম্বর মহাবিপদ সংকেত নামিয়ে মোংলা বন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকতে দেখিয়ে যেতে বলেছে আবহাওয়া অফিস।
আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাস অনুযায়ী কয়েক ফুট উচ্চতার জলোচ্ছ্বাসের কথা বলা হলেও মোংলা সমুদ্র বন্দরের পশুর চ্যানেলসহ সুন্দরবনের নদ-নদীর পানির উচ্চতা অনেকটা স্বাভাবিকই ছিল।
ফলে মোংলাসহ আশপাশের এলাকায় জলোচ্ছ্বাস প্লাবিত হওয়ার ঘটনা ঘটেনি। যদিও বেড়িবাঁধ ভেঙে কিংবা উপচে জোয়ারের যে পানি বাঁধের ভেতরে প্রবেশ করেছিল তা আবার ভাটার সময়ে নেমে গেছে। পৌর কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকার মোড়ে মোড়ে দুর্গতদের মাঝে রান্না খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।
এ বিষয়ে পূর্ব সুন্দরবনের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. বেলায়েত হোসেন জানান, আম্পানের তাণ্ডবে পূর্ব সুন্দরবনের ঢাংমারী স্টেশন, লাউডোব, দুবলা ও মরাপশুর ক্যাম্পের জেটি, ঘরবাড়িসহ অন্যান্য স্থাপনা এবং বনের গাছপালার বেশ ক্ষতি হয়েছে। তবে এতে কোনও জেলে নৌকা ডুবি, জেলে নিখোঁজ কিংবা হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

