শেয়ারবাজারে লেনদেন কমছে, ১৩ বছরে সর্বনিম্ন


সূচকের উর্ধ্বমুখী প্রবনতায় শেষ হয়েছে লেনদেন

দীর্ঘ ৬৬ দিন পর গত রবিবার চালু হয় দেশের শেয়ারবাজার। কিন্তু গত ৫ দিনের মধ্যে ৪ দিনই দরপতনের মধ্য দিয়ে লেনদেন হয়েছে শেয়ারবাজারে।

গতকাল ঢাকার শেয়ারবাজারে মাত্র ৪২ কোটি টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে, যা গত ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন। এর আগে ২০০৭ সালের ২৪ এপ্রিল ডিসইএতে ৪০ কোটি ৩৯ লাখ টাকার লেনদেন হয়।

অপর শেয়ারবাজার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জে (সিএসই) সার্বিক সূচক গতকাল সামান্য বেড়েছে। আগের দিনের চেয়ে সিএএসপিআই ৬ পয়েন্ট বেড়ে অবস্থান করছে ১১ হাজার ২৩৭ পয়েন্টে।

বাজারসংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বাজার সূচকের উত্থান-পতন থাকবে। কিন্তু লেনদেন কমে যাওয়া আশঙ্কাজনক।

করোনা মহামারির আগে, ২৫ মার্চ শেষ লেনদেন হয়। এরপর ৬৬ দিন বন্ধ থাকার পর গত রবিবার লেনদেন শুরু হয় শেয়ারবাজারে। প্রথম দিন ডিএসইএক্স সূচক বাড়ে ৫২ পয়েন্ট। এর পর চার কার্যদিবসই সূচক কমেছে। একই সঙ্গে গতি খুবই কম লেনদেনের পরিমাণে।

গতকাল লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৫২ কোটি ৬৩ লাখ টাকা। হাতবদল হওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ১১টির, কমেছে ৩৬টির ও অপরিবর্তিত আছে ২৬২টির দর।

লেনদেনের শীর্ষে থাকা কোম্পানিগুলো হলো বেক্সিমকো ফার্মা, গ্রামীণফোন, সেন্ট্রাল ফার্মসিউটিক্যালস লিমিটেড, লিন্ডে বিডি, স্কয়ার ফার্মা, ইন্দো বাংলা ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড, বেক্সিমকো, বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবল কোম্পানি লিমিটেড, এসিএমই ল্যাবরেটরিজ লিমিটেড ও রেকিটবেনকেইজার।

অপরদিকে সিএসইতে মোট লেনদেন হয়েছে ৪ কোটি ৫৯ লাখ টাকার। হাতবদল হওয়া শেয়ার ও মিউচুয়াল ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে ৯টির, কমেছে ১৯টির ও দর অপরিবর্তিত আছে ৭৫টির।