একজন সদা হাস্যোজ্জল
প্রতীয়মান হয়।
তোমাদের এই বিভীষিকাময়
সুখে থাকার নামে
ভয়ানক করুণ হাসি
উড়িয়ে দেওয়া,
সমাজের গৎবাঁধা নিয়মের
বেড়াজালে জরিয়ে থাকা
অসম্ভব সুন্দর বাস্তবতায়।
আর আরেকজন,
সে তো চিরকাল
ভিতরে ডুকরে কেঁদে যায়।
কি অমায়িক সুন্দর হেসে
তুমি নিজেকে লুকিয়ে রাখো!
অন্তরালের সেই নির্জীব সত্তা
মুখোশের আড়ালে যে তুমি
নির্লিপ্ত হাসির মায়ায়
লুকিয়ে রাখো,
তোমার ভেতরে সে ভয়ানক অসুখ টাকে।
যে কখনো মৃদু সেই
হৃদয় জুড়ানো হাসির আড়ালে
প্রকাশ পাইনি
কতটা ভঙ্গুরতার
নিমগ্ন সে!
অথচ তোমাদের চেনাজানা
এই আমিকে কখনোই
তোমারা বিষাদে দেখনি।
তোমারা দৃষ্টিগোচর হয়েছ
ততখানিই,
যতটুকু তোমরা
বুঝতে চেয়েছ
উহু মিথ্যে বললাম
আমি যতটুকু দেখিয়েছি
উদ্যম হাসির
তাচ্ছিল্যতায়!
পেপার’স লাইফ/কবিতা/মশিউর রহমান বাধনে

