অবেলায় দেখা হয়ে যাওয়া
সেই প্রথম ছিল জানো তো?
তোমার প্রস্ফুটিত হাসি
আর আমার হৃদয় জুড়ে ঝড়ের উচ্ছ্বাস
যেন আমাকে এনে দিয়েছিল
যৌবনের এক নতুন উদ্দীপনা।
জানোতো আমার মনজুড়ে বইছিল
এক উদ্যম অনাকাঙ্ক্ষিত ঝড়ের পূর্বাভাস
সে প্রথম আমি নতুনরূপে
দেখেছিলাম তোমার স্বরূপে
আমার এই দুরন্তর কিশোর হৃদয়কে
উত্তাল করে তোলা সেই মোহ ভরা চাহনি।
হাজার মানুষের ভীরেও আমি তোমাকে দেখছিলাম
যেন অনন্য এক রূপের প্রতিমা তুমি
এতসব মানুষের ভিড়েও কেন জানি
মনে হয়েছিল তুমি ছাড়া কেউ নেই।
আমি হারিয়েছিলাম সময়ের অবস্থানের বিপরীতে
চারিপাশ অসম্ভব ফাকা হয়ে গিয়েছিল জানতো!
সেই কবে আমাদের দেখা হওয়ার কথা?
অথচ আজ এত বছর পর
আমি তোমায় চিনলাম রূপের দেবী!
খানিক সময়ের জন্যও মনে হয় নি
তুমি আমার অসম্ভব অপরিচিতা!
অথচ আমি চলে গিয়েছিলাম
সময় আর শূন্যের মাঝামাঝি অবস্থানে
জানতো সেখানে সবকিছুর স্তব্ধতা বিরাজ করছিল
আর আমি শুধু চেয়েছিলাম তোমার ওই মায়ায় ঘেরা
অলংকারের ঝলকানির মত হাসির ঘোরে।
হঠাৎ সবকিছু যেন স্থবির হয়েছিল
দেবী তোমার ঢেউখেলানো হাসির স্রোতে।
আর আমি আজন্ম পূজারি,
তোমার লীলায় ডুবেছিলাম
নিজেকে বিসর্জিত করব বলে।
ঠিক এইসময়ে, একইভাবে
আবার দেখা হবে তো
দেবী?
পেপার’স লাইফ/কবিতা/মশিউর রহমান বাধন

